নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

চুয়াডাঙ্গায় সড়কে গাছ ফেলে ঘণ্টাব্যাপী ডাকাতি, ৩০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

 




চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সড়াবাড়ীয়া-গহেরপুর সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) রাত সাড়ে ৮টা থকে ৯টা ২০ মিনিট পর্যন্ত প্রায় ঘণ্টাব্যাপী সড়ক আটকে তাণ্ডব চালায় ডাকাত সদস্যরা। এতে বেশ কয়েকটি যানবাহন আটকে প্রায় ৩০ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।


জানা গেছে, রাতে রাস্তায় বাবলা গাছ কেটে ব্যারিকেড দিয়ে রাস্তার দুই প্রান্তে ডাকাত দলের ১৫-২০ সদস্য অবস্থান নেয়। সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র রাম দা, ছুরি, চাইনিজ কুড়াল নিয়ে পথচারীদের পথরোধ করে ডাকাতি করে। এসময় নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ডাকাতি করে ভুক্তভোগীদের আটকে রাখা হয়।


ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, আন্দুলবাড়ীয়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াহেদ মিয়ার কাছ থেকে নগদ ৯ লাখ টাকা লুট করা হয়েছে। এছাড়া ঝিনাইদহের পৌর এলাকার একদল তরুণ প্রাইভেট কারে ঘুরতে এসে ডাকাতির কবলে পড়ে। তারা আন্দুলবাড়ী থেকে বাড়ী যাওয়ার উদ্দেশে বের হয়েছিলো। এসময় তাদের কাছ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকাসহ দু’টি স্বর্ণের চেইন, দু’টি লকেট, একটি ব্রেসলেট ও পাচঁটি আংটি লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা। রাস্তায় পথচারি, মটরসাইকেল আরোহী, পাখিভ্যান, ইজিবাইক, হাটের গরু ব্যাপারিদের কাছ থেকে নগদ অর্থ ও প্রাইভেট কারের যাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় মোট ৩০ লাখ টাকা ডাকাতি করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চুয়াডাঙ্গা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তারেক ও দর্শনা থানার ওসি লুৎফুল কবির। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তারেক জানান, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ডাকাত সদস্যদের ধরতে ইতিমধ্যে পুলিশের একাধিক ইউনিট মাঠে নেমেছে। দ্রুতই তাদরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

মন্তব্যসমূহ