আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

পাবনায় ১ লাখ ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার

 





পাবনা সদর, সুজানগর, বেড়া, ঈশ্বরদী ও সাঁথিয়া উপজেলায় গোডাউনে পৃথক অভিযান চালিয়ে এক লাখ ৪০ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।


বুধবার বিকেল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ অভিযান চালানো হয়।


এ সময় ব্যবসায়ীদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ছয় লাখ ৬৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।


অভিযানে পাবনা সদর থেকে ৪৩ হাজার লিটার, বেড়া উপজেলায় ৪৫ হাজার লিটার, সাঁথিয়া উপজেলায় ৩০ হাজার লিটার, ঈশ্বরদী উপজেলায় ১৮ হাজার লিটার ও সুজানগর থেকে চার হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।


বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুর আলী জানান, প্রথমে অভিযান চালানো হয় বেড়া উপজেলার কাশিনাথপুর বাজারের সুনীল ও লক্ষ্মণের গোডাউনে। এ সময় সুনিলের গোডাউনে ৬০ ড্রাম সয়াবিন, পাম ওয়েল ৩০ ড্রাম ও ৩০ ড্রাম সুপার তেল জব্দ করা হয়।


আর লক্ষ্মণের গোডাউন থেকে ৩০ ড্রাম সয়াবিন তেল ও ৭২ ড্রাম পাম ওয়েল জব্দ করা হয়। প্রত্যেক ড্রামে ২১০ লিটার তেল হিসেবে আনুমানিক ৪৫ হাজার লিটার তেল জব্দ করা হয়।


তিনি জানান, দীর্ঘ দিন তেল মজুদ করে রাখার অপরাধে সুনিলকে দুই লাখ টাকা এবং লক্ষ্মণকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।


অপরদিকে পাবনা শহরের বড় বাজারের উত্তম কুমার কুণ্ডুর একটি গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৪৩ হাজার লিটার তেল জব্দ করা হয়। এ সময় গোডাউনের মালিক উত্তম কুমারকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।


জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খোন্দকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


এ ছাড়াও সাঁথিয়ার সহকারী ভূমি কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুজ্জামান বলেন, কাশিনাথপুর বাজারের সাঁথিয়া অংশের মীর মোহাম্মদ আবুল খায়েরের মালিকাধীন মীর স্টোরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার লিটার সয়াবিন ও পাম ওয়েল জব্দ করা হয়। এ সময় গোডাউন মালিককে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।


একই দিনে পাবনার সুজানগরে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা তিন হাজার ১৩৭ লিটার সয়াবিন তেল জব্দ করে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।


এদিকে ঈশ্বরদী বাজারের শ্যামল স্টোরের গোডাউনে অভিযান চালিয়ে ১০ হাজার লিটার খোলা ভোজ্য সয়াবিন তেল, এক হাজার ২৪৪ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ও সাত হাজার লিটার সরিষার মজুদ করা তেল উদ্ধার করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর।


অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ঈশ্বরদীর নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক সানোয়ার রহমান।


অভিযানে ঈশ্বরদীর আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ