ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

রাশিয়া-ইউক্রেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক শেষে যা জানা গেল

 


রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা করার পর প্রথমবারের মতো আলোচনায় বসেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ও ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিমিত্রো কুলেবা।


তুরস্কের আঙ্কারায় বহুল প্রতীক্ষিত এ বৈঠকটি হয়। 


এই বৈঠক নিয়ে বিশ্ববাসীর বড় প্রত্যাশা থাকলেও সেরকম কিছু হয়নি। 


সংবাদ সংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন বৈঠকে কোনো ফলাফল আসেনি। 


কারণ রাশিয়া ইউক্রেনকে আত্মসমর্পণ করতে আহ্বান জানিয়েছে। যা ইউক্রেন কখনো মেনে নেবে না। 


ইউক্রেন যুদ্ধ বিরতি ও মারিউপোলে মানবিক করিডোর তৈরির জন্য প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে ইতিবাচক কোনো কিছু বলেননি। 


তবে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি ফের লাভরভের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চান। 


তিনি আরও জানিয়েছেন, ইউক্রেন কূটনৈতিকভাবে চলমান এ দ্বন্দ্বের সমাধান করতে রাজি আছে। কিন্তু তারা রাশিয়ানদের কাছে আত্মসমর্পণ করবেন না। 


তিনি আরও জানিয়েছেন, এখন যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা রাশিয়ার নেই। তারা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।


তিনি আরও জানিয়েছেন, যেহেতু রাশিয়া এ যুদ্ধ শুরু করেছে ফলে  রাশিয়াকেই এটি বন্ধ করতে হবে। ইউক্রেন চাইলেও যুদ্ধ বন্ধ করতে পারবে না। 



তবে বৈঠক শেষে  সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে এসে ভিন্ন কথা বলেছেন রাশিয়ার পররাষ্টমন্ত্রী। তিনি জানিয়েছেন, রাশিয়া তাদের দাবিগুলো ইউক্রেনের সামনে তুলে ধরেছে। তাছাড়া মানবিক করিডোরের বিষয় নিয়েও কথা হয়েছে। 


সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

মন্তব্যসমূহ