আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

রাস্তায় পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে নিহত ১৩

 




পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ায় রাস্তায় পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। গতকাল সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা।


তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, এই বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে সাতজন।


কেনিয়ার উত্তর-পূর্ব মানদেরা কাউন্টির পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সোমবার ১৪ আসন বিশিষ্ট একটি মিনিবাস মানদেরা শহরের দিকে যাওয়ার সময় রাস্তায় পেতে রাখা বোমাটিকে আঘাত করে। এরপরই বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং আরোহীরা দগ্ধ হয়ে মারা যান।


প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে কেনিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। এ ছাড়া ওই অঞ্চলের পুলিশ প্রধান বুনেই রোনোকে উদ্ধৃত করে একটি সংবাদমাধ্যম বলছে, বোমা বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।


অবশ্য হামলার পর এখনো কোনো গোষ্ঠীই তাৎক্ষণিকভাবে এর দায় স্বীকার করেনি। তবে প্রাণঘাতী এই হামলার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাব দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। সোমালিয়ার এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি অতীতেও সীমান্ত অতিক্রম করে নিরাপত্তা বাহিনী ও গণপরিবহনকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছিল।


উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত গোষ্ঠীটি কেনিয়ার উত্তর-পূর্ব ও উপকূলবর্তী অঞ্চলের বেশির ভাগ হামলার জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়। তবে কিছু সহিংসতার ঘটনা স্থানীয় ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে হয়েছে বলেও মনে করা হয়।

মন্তব্যসমূহ