জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

রাস্তায় পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে নিহত ১৩

 




পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ায় রাস্তায় পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন। গতকাল সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা।


তবে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, এই বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে সাতজন।


কেনিয়ার উত্তর-পূর্ব মানদেরা কাউন্টির পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সোমবার ১৪ আসন বিশিষ্ট একটি মিনিবাস মানদেরা শহরের দিকে যাওয়ার সময় রাস্তায় পেতে রাখা বোমাটিকে আঘাত করে। এরপরই বাসটিতে আগুন ধরে যায় এবং আরোহীরা দগ্ধ হয়ে মারা যান।


প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে কেনিয়ার গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। এ ছাড়া ওই অঞ্চলের পুলিশ প্রধান বুনেই রোনোকে উদ্ধৃত করে একটি সংবাদমাধ্যম বলছে, বোমা বিস্ফোরণের সঙ্গে যুক্ত একজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।


অবশ্য হামলার পর এখনো কোনো গোষ্ঠীই তাৎক্ষণিকভাবে এর দায় স্বীকার করেনি। তবে প্রাণঘাতী এই হামলার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠী আল-শাবাব দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। সোমালিয়ার এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠীটি অতীতেও সীমান্ত অতিক্রম করে নিরাপত্তা বাহিনী ও গণপরিবহনকে লক্ষ্য করে একাধিক হামলা চালিয়েছিল।


উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত গোষ্ঠীটি কেনিয়ার উত্তর-পূর্ব ও উপকূলবর্তী অঞ্চলের বেশির ভাগ হামলার জন্য দায়ী বলে মনে করা হয়। তবে কিছু সহিংসতার ঘটনা স্থানীয় ও রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে হয়েছে বলেও মনে করা হয়।

মন্তব্যসমূহ