তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ঝিনাইদহে ৪২ ভোট পেয়ে জামানত হারালেন নৌকার প্রার্থী

 




ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ৯টি কেন্দ্রে মাত্র ৪২ ভোট পেয়ে জামানত হারালেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী। উপজেলার ফলসী ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নিমাই চাঁদ মন্ডল এই ভোট পেয়েছেন।


বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) সকালে হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. নুর উল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


তিনি জানান, ওই ইউনিয়নে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ৪২৬ জন। ৯টি কেন্দ্রের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট পড়েছে ৮ হাজার ৮৪৪টি। ৯টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন মাত্র ১টি করে ভোট।


ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী অ্যাড. বজলুর রহমান ৪ হাজার ৬২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান পেয়েছেন ৪ হাজার ১৭৯ ভোট।


এ ব্যাপারে প্রার্থী নিমাই চাঁদ মন্ডল বলেন, নৌকা প্রতীক পাওয়ার পর আমি আশা করেছিলাম ভোটে জিতবো। কিন্তু এমন কেনো হলো তা তো বলতে পারছি না। মূলত এখানে আওয়ামী লীগের দুইটা পক্ষ হয়ে যাওয়ার কারণে এটা হতে পারে।


বিজয়ী প্রার্থী অ্যাড. বজলুর রহমান বলেন, যিনি নৌকা প্রতীক পেয়েছিলেন তিনি জনবিচ্ছিন্ন ছিলেন। মানুষ তাকে পছন্দ করেনি। দল তাকে মনোনয়ন দিয়েছিল কিন্তু ভোটাররা তাকে পছন্দ করে না বলে আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আমি মনে করি ভোটাররা যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা সঠিকই। তারা প্রতীক না প্রার্থীকে অগ্রাধিকার দিয়েছে।

মন্তব্যসমূহ