প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

‘ভোট দিয়ে কী অইব, ছেরি বয়স্কভাতা পাইলেও আমি পাই না’




সকাল থেকে চতুর্থ ধাপের ৮৩৬টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে।


রোববার সকালে ভোট দিতে কেন্দ্রে হাজির হয়েছিলেন নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলার ১০৫ বছর বয়সি বৃদ্ধা মাসুমা বেগম।


ভোট দিতে এসে নিজের আপেক্ষে কথা জানান তিনি - ভোট দিয়ে কী অইব ? ছেরি বয়স্কভাতা পাইলেও আমি পাই না।


সাংবাদিকদের কাছে পেয়ে এই বৃদ্ধা বলেন, ‘আমার জামাই মারা গেছে ৩০ বছর আগে। আমার নিঃসন্তান মাইয়া মাইনষের বাড়িতে কাজ কইরা আমারে খাওয়ায়। সময় মতো ওষুধ পত্তর পাইনা। কত চেয়ারম্যান-মেম্বর আইল-গেল কেউ কোন সাহায্য করল না।আমি ছেরির (মেয়ের) ভাঙ্গা ঘরে থাকি। আমার ছেড়া (ছেলে) নাই মাইয়াগো কাছে থাকি। শুনেছি শেখের বেটি গরিব-দুঃখী মানুষরে ঘর দেয়। আমার কহালে(কপালে) তাও জুটল না।’


জানা গেছে, মাসুমা বেগম খালিয়াজুরী উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের পাঁচহাট (দুলোপুতা) গ্রামের মৃত রমজান আলীর স্ত্রী।  তিন কন্যার জননী মাসুমা। তার স্বামীর ভিটেবাড়ি ছাড়া অন্য কোন জায়গা জমি নেই। মেয়ে বিধবা ভাতা পেলেও মাসুমা ৩০ বছরেও পাননি বিধবা ভাতা। ভাঙ্গা একটি ঘরে স্বামী পরিত্যাক্তা মেয়ের সাথে থাকেন। কখনো গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের (ইজিপিপি) শ্রমিকের কোন সুযোগ সুবিধা পাননি তিনি। এভাবেই খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন মাসুমা বেগম।


মাসুমার দ্বিতীয় মেয়ে কল্পনা বেগম বলেন, ‘আমার মায়ের শত বছর পার হলেও দরিদ্র মানুষ হিসেবে সরকারি কোনো সুযোগ-সুবিধা পাননি। এই বছর একটি বয়স্ক ভাতার কার্ড হয়েছে। আমি বিধবা ভাতার পেলেও আমার মা কখনো বিধবা ভাতা সুবিধা ভোগ করতে পারেনি। মা এখন বয়সের ভারে চোখে দেখেন না, কানেও শুনেন না।’


মূল নিউজ: যুগান্তর

মন্তব্যসমূহ