প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ইসরাইলের সঙ্গে ভিসামুক্ত চুক্তি স্থগিত আমিরাতের

 




ইসরাইলের সঙ্গে ভিসামুক্ত চুক্তি স্থগিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।  সোমবার ইসরাইলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে। খবর আনাদলু এজেন্সির। 


দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত এ স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। 


বিবৃতিতে বলা হয়, সংযুক্ত আবর আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে ইসরাইলের সঙ্গে ভিসামুক্ত চুক্তি আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।   


‘স্থগিত হওয়া তারিখের আগ পর্যন্ত ইসরাইলি নাগরিকরা ভ্রমণের জন্য আগের মতো এন্টি ভিসা নিতে পারবেন। পাশাপাশি আরব আমিরাতের নাগরিকদের জন্যও এটি প্রযোজ্য হবে। ’   


গত কয়েক সপ্তাহে হাজার হাজার ইসরাইলিরা আরব আমিরাত ভ্রমণ করেছে। ইসরাইল ও সংযুক্ত আরব আমিরাত উভয়েই পারস্পরিক সম্মতিতে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের অংশ হিসেবে দুই দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসামুক্ত সুবিধা দিয়েছে।  


সংযুক্ত আরব আমিরাত একমাত্র মুসলিম দেশ হিসেবে ভিসা মওকুফের চুক্তি করে ইসরাইলের সঙ্গে। 


এর আগে গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প প্রশাসনের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও আমিরাতের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। পরবর্তীতে বাহরাইন, সুদান ও সম্প্রতি সময়ে মরক্কো একই পথ অনুসরণ করে। 


তবে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের চুক্তিটি প্রথম থেকেই প্রত্যাখ্যান করে আসছে ফিলিস্তিনিরা। তারা বলছে, ফিলিস্তিনিদের অধিকারকে উপেক্ষা করেই এ চুক্তি করা হয়েছে। 

মন্তব্যসমূহ