প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

উগান্ডায় পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত মুসেভেনি

 




উগান্ডায় দীর্ঘসময় ক্ষমতায় থাকা প্রেসিডেন্ট ইয়োভেরি মুসেভেনি পুনরায় নির্বাচিত হয়েছেন। জাতীয় নির্বাচনের ভোট গণনা শেষে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কমিশন। তবে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বিরোধীদলীয় নেতা ববি ওয়াইন ভোটে কারচুপির অভিযোগ এনেছেন৷ খবর বিবিসি’র।


বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মুসেভেনি প্রায় ৫৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ববি ওয়াইন ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির নির্বাচন কমিশন।


তবে ইয়োভেরি মুসেভেনির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ববি ওয়াইন নির্বাচনে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন। সাবেক পপস্টার ববি ওয়াইন অঙ্গীকার করেছেন, ইন্টারনেট সংযোগ পুনস্থাপনের পর নির্বাচনে প্রতারণার প্রমাণ তিনি উপস্থাপন করবেন।


এদিকে দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট মুসেভেনি। জনগণের প্রতি হুশিয়ারী দিয়ে তিনি বলেছেন, কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে তা কঠোরভাবে দমন করা হবে৷


উল্লেখ্য, ১৯৮৬ সালে থেকে উগান্ডার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইয়োভেরি মুসেভেনি। ২০১৯ সালে সংবিধান পরিবর্তন করে ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচনে অংশ নেন তিনি৷ 


এবারের নির্বাচনকে ঘিরে দেশটিতে ইন্টারনেট শাটডাউন করেছিল মুসেভেনি সরকার। যার তীব্র সমালোচনা করেছেন নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা।

মন্তব্যসমূহ