আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে রকেট হামলা

 




ইরাকের রাজধানী বাগদাদের সুরক্ষিত এলাকা গ্রিন জোনে মার্কিন দূতাবাসের কাছে কমপক্ষে ৮টি রকেট হামলার খবর পাওয়া গেছে।


স্থানীয় সময় রোববার রাতে এসব হামলা হয় বলে ইরাকের সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। এ হামলায় এক ইরাকি সেনাসদস্য আহত হয়েছেন বলে বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে। খবর রয়টার্সের।


ইরাকের মাটিতে ইরানি সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যার বর্ষপূর্তির একদিন আগে এ হামলা হয়েছে।


রকেট হামলায় গ্রিন জোনের ভেতরে কয়েকটি ভবন ও গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।  তবে এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এ হামলার দায় স্বীকার করেনি।


ইরাকের সেনাবাহিনী বলেছে, একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ কমপক্ষে ৮টি রকেট হামলা চালানো হয়। এগুলোর বেশিরভাগই বিভিন্ন ভবন ও চেকপোস্টে গিয়ে আঘাত হানে।


এ সময় মার্কিন দূতাবাসে সাইরেন বাজতে থাকে এবং সেখানকার লোকজন ভয়ে নিরাপদ আশ্রয়ে পালাতে থাকে।


এ হামলার নিন্দা জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস। এ ধরনের হামলা প্রতিরোধ করার জন্য পদক্ষেপ নিতে ও দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে ইরাকের সব রাজনৈতিক ও সরকারি নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে তারা।


দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক জোন লক্ষ্য করে রকেট হামলা হয়েছে। প্রতিরোধে দূতাবাসের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পদক্ষেপ নিয়েছে। দূতাবাস কম্পাউন্ডে কিছু ক্ষতি হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।


ইরাকের প্রেসিডেন্টের একজন মুখপাত্রও হামলার নিন্দা করেছেন। ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনাগুলোর ওপর নিয়মিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর জন্য ইরান সমর্থিত সশস্ত্র সংগঠনগুলোকে দায়ী করে আসছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

মন্তব্যসমূহ