প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

সীমান্তে ভারতীয় বাহিনীর হামলায় ৫ পাক সেনা নিহত

 





এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো জম্মু-কাশ্মীরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) রাতে ভারতীয় বাহিনীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পাঁচ পাকিস্তানি সেনা নিহত হন।


ভারতীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, নিয়ন্ত্রণ রেখার পুঞ্চ সেক্টরে যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে পাকিস্তানি সেনারা আগে গুলি চালায়। তাৎক্ষণিক জবাব দেয় ভারতীয় সেনারাও।


ভারতের প্রতিরক্ষা দফতরের সূত্রের বরাতে খবরে জানায়, হামলায় পাকিস্তানি বাহিনীর গোলাবর্ষণে বেসামরিক মানুষের বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। সেনারা বেসামরিকদের লক্ষ্য করেই হামলা চালায় বলে অভিযোগ ভারতের। 


সীমান্তে দুই ঘণ্টার বেশি সময় ধরে চলে গোলাগুলি। এতে আতঙ্কে বাড়ি-ঘর ছেড়ে নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় নেন অনেকে।


উভয়পক্ষের সংঘাতে পাঁচ পাকিস্তানি সেনা নিহত এবং তিনজন আহতের খবর জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। সেই সঙ্গে পাকিস্তানি সেনাদের বেশ কয়েকটি বাঙ্কার ধ্বংস করা হয়েছে।


পাল্টাপাল্টি গোলাগুলির ঘটনায় এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি কোন দেশ।


ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টিভির খবরে জানা গেছে, জম্মু-কাশ্মীরে চলতি বছর পাকিস্তানি সেনারা ৩২০০ বারের বেশি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। দেশটির সেনাদের হামলায় ৩০ বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারান। আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।

মন্তব্যসমূহ