তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ইসরাইলি অবরোধের কারণে গাজার ১৭০০ কোটি ডলারের ক্ষতি : জাতিসঙ্ঘ

 




ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার ওপর ২০০৭ সালে ইসরাইল কঠোর অবরোধ আরোপ করার পর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছে।


জাতিসঙ্ঘ কনফারেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বা আঙ্কটাডের এক রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


আঙ্কটাডের গ্লোবালাইজেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের পরিচালক রিচার্ড কজুল রাইট বলেন, অন্য কোনোকিছুর দিকে তাকানোর সময় নেই বরং গাজার মানুষের জন্য উন্নয়ন হওয়াটা জরুরি।


ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজার ওপর ২০০৭ সাল থেকে সর্বাত্মক অবরোধ আরোপ করে এবং ২০০৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ পরিচালনা করেছে। ইসরাইলের সামরিক আগ্রাসন এবং অবরোধের কারণে গাজার দারিদ্র্য বেড়েছে স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে অন্তত চার গুণ।


আঙ্কটাডের রিপোর্ট অনুযায়ী, সারাবিশ্বে সবচেয়ে খারাপ অর্থনীতির ভেতরে রয়েছে গাজা। পাশাপাশি ইসরাইল সামরিক আগ্রাসন চালানোর সময় গাজা উপত্যকার বেসামরিক জনগণকে যেমন হত্যা করেছে তেমনি বেসামরিক স্থাপনা এবং হাজার হাজার কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর বোমা হামলা চালিয়েছে।


ইসরাইলি অবরোধ এবং আগ্রাসনের কারণে যে ক্ষতির রিপোর্ট তুলে ধরা হয়েছে তা প্রকৃতপক্ষে পূর্ণাঙ্গ চিত্র নয় বরং একটি অংশমাত্র। এতে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ক্ষতির দিকটি তুলে আনা হয়েছে। কিন্তু সামরিক আগ্রাসন এবং অবরোধের কারণে আরো যে সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তার অর্থ হলো অনেক বেশি।


সূত্র : পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ