তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

করোনার সংক্রমণ ব্যাপক হারে বাড়ায় ফ্রান্সে আবারো লকডাউন

 




করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেশজুড়ে দ্বিতীয় দফায় লকডাউনের ঘোষণা দিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ফ্রান্সে করোনার সংক্রমণ ব্যাপক হারে বাড়ায় আগামী নভেম্বরজুড়ে লকডাউন থাকবে। নতুন এই সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) থেকে কার্যকর হবে বলে জানান তিনি। তবে, স্বাস্থ্যসেবাসহ জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে পারবেন সাধারণ মানুষ।


রেস্তোঁরা এবং বারের মতো অপ্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবসা নতুন লকডাউন চলাকালে বন্ধ থাকবে। তবে স্কুল এবং কারখানাগুলো উন্মুক্ত থাকবে বলে ঘোষণা জানানো হয়েছে। 


এপ্রিলের পর থেকে ফ্রান্সে করোনা ভাইরাসে দৈনিক মৃত্যু সর্বোচ্চ রয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেশটির ৩৩ হাজার মানুষ নতুন করে কোভিড-১৯ এ শনাক্ত হন বলে জানায় ফরাসি স্বাস্থ্য বিভাগ।


টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ জানান, ফ্রান্সে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আসার যে ঝুঁকি রয়েছে, তা প্রথমবারের তুলনায় অনেক বেশি বিপদজ্জনক বা কঠিন হবে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সংক্রমণ অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। সরকারের দেয়া সব ধরনের বিধি নিষেধ মেনে চলতে ফরাসিদের অনুরোধ জানান ম্যাক্রোঁ। 


ফ্রান্সে এ পর্যন্ত ১২ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি মানুষ কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুর সংখ্যা ৩৫ হাজার আটশোর কাছাকাছি।


মন্তব্যসমূহ