জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় কিছুক্ষণ পর

 




প্রায় তিন দশক পর বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় ঘোষণা হতে চলেছে। ১৯৯২-এর ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়েছিল। প্রবীণ বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আদভানি, মুরলিমনোহর জোশী, উমা ভারতীর মতো নেতানেত্রীরা মসজিদ ভাঙার ষড়যন্ত্র, পরিকল্পনা ও উস্কানিতে লিপ্ত ছিলেন কিনা, আজ বুধবার সেই রায় শোনাতে চলেছে লখনউয়ের বিশেষ সিবিআই আদালত। এ দিন বেলা ১০টায় রায় ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু হবে। রায় ঘোষণা করবেন বিচারক সুরেন্দ্রকুমার যাদব।


আগে আদালতের নির্দেশ ছিল আদভানি, জোশী, কল্যাণ সিং, উমা ভারতীদের সশরীরে আদালতকক্ষে হাজির থাকতে হবে। কিন্তু বয়সের কথা ভেবে নব্বই পার হয়ে যাওয়া আডবাণী ও ৮৬ বছর বয়সী মুরলী মনোহর জোশী জানিয়েছেন, তাঁরা আদালতে উপস্থিত থাকতে পারবেন না। উমা ভারতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে এইমসে ভর্তি। কল্যাণ সিং-ও অসুস্থ। তাঁরা কেউই আদালতে থাকবেন না। তবে আডবাণী, জোশী, কল্যাণ সিংয়ের পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয়েছে, তাঁরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে হাজিরা দিতে পারেন। বাকিরা আদালতে হাজির থাকবেন।


বাবরি মসজিদ যখন ভাঙা হয়, তখন কল্যাণ সিং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। আদভানি, জোশী ও উমা ভারতী ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর অযোধ্যায় ছিলেন। তবে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ হলো, তারা বাবরি মসজিদ ভাঙার চক্রান্ত করেছিলেন এবং দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদের চেষ্টা করেছিলেন। বাবরি মসজিদ ভাঙার পর দাঙ্গায় সারা দেশে প্রায় তিন হাজার মানুষ মারা গিয়েছিলেন।


উমা ভারতী ইতিমধ্যে বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডাকে জানিয়ে দিয়েছেন, তাকে জেলে যেতে হলে তিনি জামিনের আবেদন করবেন না।


লখনউয়ের আদালতকক্ষে প্রবল নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়েছে। অভিযুক্ত ও তাঁদের আইনজীবী ছাড়া কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। রায় যাই হোক না কেন, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সুদূরপ্রসারী হতে বাধ্য বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত।

মন্তব্যসমূহ