জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

আবারও কৃষ্ণাঙ্গের শরীরে ৭ গুলি, উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র

 



আবারও বর্ণবৈষম্য বিক্ষোভে উত্তাল যুক্তরাষ্ট্র। কৃষ্ণাঙ্গ এক মার্কিনীকে পুলিশের গুলির ভিডিও ভাইরাল হওয়ায় ছড়িয়েছে উত্তাপ। কারফিউ জারি, ন্যাশনাল গার্ড মোতায়ন করেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়নি পরিস্থিতি। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা উইসকনসিন রাজ্যে। কৃষ্ণাঙ্গদের ওপর বারবার পুলিশি নির্যাতনের নিন্দা জানিয়েছে রাজ্যটির প্রশাসন।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল ফুটেজে ব্লেকের শার্ট টেনে ধরে অন্তত সাতবার গুলি ছুঁড়তে দেখা যায় পুলিশকে। গাড়ির ভেতরে চোখের সামনে বাবাকে নির্মমতার শিকার হতে দেখে ৩, ৫, আর ৮ বছর বয়সী তিন শিশুসন্তান। হাসপাতালে এখন মৃত্যুর সাথে লড়ছেন ব্লেক। পুলিশের হঠাৎ আক্রমণাত্মক আচরণে পরিবারের সদস্যরাও ভীত।


জ্যাকব ব্লেকের বাগদত্তা লাকুইশা বুকার বলেন, ‘দুই পুরুষ আর এক নারী পুলিশ কর্মকর্তা হঠাৎ এসে কিছু না বলেই হাতকড়া পড়িয়ে দিল। কোনো প্রশ্ন নেই, কারণ ব্যাখ্যা করা নেই। সন্তানদের গাড়ি থেকে নামাতে যাবো, তখনি এমন উন্মত্ত আচরণ পুলিশের।’


স্থানীয় সময় রোববার বিকালের এ ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়ে উইসকনসিন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাজ্যজুড়ে মাঠে নামে ন্যাশনাল গার্ড। ঘটনাস্থল কিনোশা শহরে জারি করা হয় কারফিউ। যদিও ক্ষোভ দমন হয়নি। সোমবারও সহিংস ছিল পরিস্থিতি। এ ঘটনায় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।


উইসকনসিনের গভর্নর টোনি ইভার্স ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে আছেন জানিয়ে বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্তাধীন। ভুক্তভোগী পরিবার আর কিনোশার মানুষের পাশে আছি আমরা। কী ঘটেছে, কেন ঘটেছে তা জানা বাকি। তবে ব্লেক বর্বরতার শিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নন। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে যা করার সবটা করা হবে।’


ব্লেকের ওপর পুলিশের এমন নির্দয় আচরণের কারণ অস্পষ্ট। তদন্ত চলাকালীন বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে। প্রতিবেদন পেতে লেগে যেতে পারে ৩০ দিন।


গেলো ২৫ মে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডকে প্রকাশ্যে গলায় পাড়া দিয়ে হত্যা করে মিনেসোটা পুলিশের সদস্যরা। সে ঘটনায় ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ স্লোগান নিয়ে বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলন ছড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরেও।

মন্তব্যসমূহ