আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

জম্মু-কাশ্মীরে একদিনে জোড়া হামলায় ৪ জওয়ানসহ নিহত ৬

 



জম্মু-কাশ্মীরে একদিনে অজ্ঞাত গেরিলাদের জোড়া হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৪ জওয়ান নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ গেরিলার মৃত্যু হয়েছে।


গতকাল (সোমবার) বারামুল্লা জেলার ক্রিরি এলাকায় আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের তল্লাশি দলের উপরে আচমকা গেরিলারা এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করলে এ পর্যন্ত ৪ জওয়ান নিহত ও পাল্টা সংঘর্ষে ২ গেরিলার মৃত্যু হয়েছে। নিহত জওয়ানদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ১, আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের ২ এবং পুলিশের এক বিশেষ কর্মকর্তা ‘এসপিও’ রয়েছেন।


সোমবার সকালে আচমকা ওই গেরিলা হামলায় সিআরপিএফের ১১৯ ব্যাটেলিয়ানের খুরশিদ খান ও শর্মা লবকুশ সুদর্শন নামে ২ জওয়ান গুরুতরভাবে আহত হন এবং পরে তাঁরা মারা যান। দুজনেই বিহার রাজ্যের জাহানাবাদ জেলার বাসিন্দা ছিলেন। একইসঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের মুজাফফর আলী দার নামে এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।  ওই ঘটনার পরে দিনভর গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি অভিযান চালায়। এদিন সন্ধ্যায় পুনরায়


গুলিবর্ষণ শুরু হলে ২ জওয়ান আহত হন। এদেরমধ্যে এক জওয়ান প্রাণ হারিয়েছেন। বারামুল্লার ওই হামলার পরে গেরিলারা কুলগামের নেহমা এলাকায় সিআরপিএফ ক্যাম্পে গুলিবর্ষণ করে। ক্যাম্পের বাইরে এক বাঙ্কারে হামলা চালালে সিআরপিএফের এস সুকুমার নামে এক সহকারী উপ-পরিদর্শক গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।


জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমার সোমবার বলেন, ক্রিরি  এলাকার চেকপোস্ট পাহারা দিচ্ছিল পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ দল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাশের ঘন বাগিচা থেকে বেরিয়ে এসে আচমকা তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে তিন সন্ত্রাসী। এরফলে দুই সিআরপিএফ জওয়ান ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক স্পেশ্যাল অফিসার নিহত হন।#


পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ