ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

জম্মু-কাশ্মীরে একদিনে জোড়া হামলায় ৪ জওয়ানসহ নিহত ৬

 



জম্মু-কাশ্মীরে একদিনে অজ্ঞাত গেরিলাদের জোড়া হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৪ জওয়ান নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ২ গেরিলার মৃত্যু হয়েছে।


গতকাল (সোমবার) বারামুল্লা জেলার ক্রিরি এলাকায় আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের তল্লাশি দলের উপরে আচমকা গেরিলারা এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ করলে এ পর্যন্ত ৪ জওয়ান নিহত ও পাল্টা সংঘর্ষে ২ গেরিলার মৃত্যু হয়েছে। নিহত জওয়ানদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ১, আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের ২ এবং পুলিশের এক বিশেষ কর্মকর্তা ‘এসপিও’ রয়েছেন।


সোমবার সকালে আচমকা ওই গেরিলা হামলায় সিআরপিএফের ১১৯ ব্যাটেলিয়ানের খুরশিদ খান ও শর্মা লবকুশ সুদর্শন নামে ২ জওয়ান গুরুতরভাবে আহত হন এবং পরে তাঁরা মারা যান। দুজনেই বিহার রাজ্যের জাহানাবাদ জেলার বাসিন্দা ছিলেন। একইসঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের মুজাফফর আলী দার নামে এক কর্মকর্তার মৃত্যু হয়।  ওই ঘটনার পরে দিনভর গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী তল্লাশি অভিযান চালায়। এদিন সন্ধ্যায় পুনরায়


গুলিবর্ষণ শুরু হলে ২ জওয়ান আহত হন। এদেরমধ্যে এক জওয়ান প্রাণ হারিয়েছেন। বারামুল্লার ওই হামলার পরে গেরিলারা কুলগামের নেহমা এলাকায় সিআরপিএফ ক্যাম্পে গুলিবর্ষণ করে। ক্যাম্পের বাইরে এক বাঙ্কারে হামলা চালালে সিআরপিএফের এস সুকুমার নামে এক সহকারী উপ-পরিদর্শক গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী হামলাকারীদের সন্ধানে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে।


জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আইজি বিজয় কুমার সোমবার বলেন, ক্রিরি  এলাকার চেকপোস্ট পাহারা দিচ্ছিল পুলিশ ও সিআরপিএফের যৌথ দল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পাশের ঘন বাগিচা থেকে বেরিয়ে এসে আচমকা তাদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে তিন সন্ত্রাসী। এরফলে দুই সিআরপিএফ জওয়ান ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক স্পেশ্যাল অফিসার নিহত হন।#


পার্সটুডে

মন্তব্যসমূহ