প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

করোনার ভ্যাকসিন আনছে তুরস্ক: এরদোয়ান

 



মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে নিজস্ব উপায়ে ভ্যাকসিন তৈরি করার দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর তুরস্ক তৃতীয় স্থানে রয়েছে বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইপ এরদোয়ান।


রোববার তোবিতাক অ্যাক্সিলেন্স সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ বিষয়ে এরদোয়ান বলেন, তুরস্কের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত গবেষণা কাউন্সিলের (তোবিতাক) অর্থায়নে পরিচালিত কোভিড-১৯ তুর্কি প্ল্যাটফর্ম বর্তমানে আটটি ভিন্ন ভ্যাকসিন এবং ১০টি ভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে।


ভ্যাকসিনের দুটি ধরন প্রাণিদের ওপর প্রয়োগ পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন করেছে এবং তাদের মধ্যে একটি সম্প্রতি মানুষের ওপর পরীক্ষার নৈতিক অনুমোদন পেয়েছে বলে জানিয়েছেন এরদোয়ান। এরদোয়ান বলেন, তুরস্ক সরকারি ও বেসরকারি খাত এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সহযোগিতায় কোভিড-১৯ রোধে ভ্যাকসিন এবং ওষুধ তৈরিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করছে।


উল্লেখ, ওয়ার্ল্ডওমিটারসের তথ্যানুযায়ী, সোমবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনাক্রান্ত হয়েছেন দুই কোটি ২৪ হাজার ২৬৩ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক কোটি ২৮ লাখ ৯৮ হাজার ২৩৮ জন। মারা গেছেন ৭ লাখ ৩৩ হাজার ৯৯৫ জন। আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬৩ লাখ ৯২ হাজার ৩০ জন।

মন্তব্যসমূহ