ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

আয়া সোফিয়ায় আজ প্রথম জুমা (ছবি)



আয়া সোফিয়া জাদুঘরকে মসজিদে রূপ দেয়ার পর প্রথমবারের মতো সেখানে জুমার নামাজ আদায় হতে যাচ্ছে।


ইস্তানবুলের গভর্নর আলী ইয়ারলিকায়া বৃহস্পতিবার এক ঘোষণায় বলেন, মুসলমানরা আবেগে আনন্দিত। তারা সেখানে প্রথম জুমায় অংশ নিতে অধীর হয়ে আছেন।


দেড় হাজার বছরের পুরনো ইউনেস্কোর এই বিশ্ব ঐতিহ্যটি ১৯৩৪ সালে জাদুঘর বলে ঘোষিত হয়েছে।

কিন্তু চলতি সপ্তাহে আয়া সুফিয়ার জাদুঘরের মর্যাদা বাতিল ঘোষণা করেন একটি তুর্কিশ আদালত।

রায়ে বলা হয়, এই ভবন মসজিদ ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহার সম্ভাব্য বৈধ হবে না।


পরে ২৪ জুলাই থেকে সেখানে জুমা আদায় করা হবে বলে ঘোষণা আসে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের কাছ থেকে।

তবে ভবনটি অমুসলিম ও বিদেশি পর্যটকদের জন্যও খোলা রাখার কথা তিনি জানিয়েছেন।



তার এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন স্থান থেকে সমালোচনাও এসেছে।

অর্থোডক্স খ্রিস্টানদের ক্যাথেড্রাল হিসেবে নির্মিত আয়া সোফিয়া মসজিদে রূপান্তরিত হয় নবম শতকে উসমানীয় বিজয়ের পরে।


টেলিভিশনে দেয়া ঘোষণায় গভর্নর বলেন, জুমা পড়তে আসা মুসল্লিদের ফেস মাস্ক পরতে হবে। সঙ্গে একটি জায়নামাজও নিয়ে যেতে হবে।

সেখানে স্বাস্থ্যকর্মীরাও থাকবেন বলে জানিয়েছেন মেয়র আলী।


তুরস্কের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী আলী এরবিস বলেন, মসজিদটিতে একসঙ্গে এক হাজার লোক জামাতে অংশ নিতে পারবেন।


দেশটির বিভিন্ন ইসলামপন্থী গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে জাদুঘরটিকে মসজিদে রূপ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছিল। কিন্তু বিরোধী ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা তার বিরোধিতায় সরব ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ