জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

করোনায় যুক্তরাষ্ট্রে ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ১৮৯১ জনের



যুক্তরাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে এক হাজার ৮৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে শনিবার পর্যন্ত এই বৈশ্বিক মহামারীতে দেশটিতে ৩৮ হাজার ৬৬৪ জন মারা গেছেন।

জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে এমন খবর জানা গেছে।-খবর এনডিটিভির


ভাইরাসটির সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাত লাখ ৩২ হাজার ১৯৭ লোক আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে বিশ্বের যে কোনো দেশের তুলনায় শীর্ষে রয়েছে দেশটি।

এদিকে করোনাভাইরাস মহামারীর জন্য ‘সচেতনভাবে চীন দায়ী’ হলে দেশটিকে পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

মহামারীর মোকাবেলায় বেইজিংয়ের ভূমিকায় সমালোচনা বাড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। হোয়াইট হাউসের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার আগে চীন থেকেই তা বন্ধ করা সম্ভব হতো, কিন্তু সেটি হয়নি।

বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির মধ্যে কথার লড়াইয়ের মধ্যে সর্বশেষ মার্কিন বাক্যবাণ হচ্ছে ট্রাম্পের এই বক্তব্য।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড-১৯ রোগের প্রকোপ মোকাবেলায় যখন দুই দেশের মধ্যে নজিরবিহীন সহায়তা দরকার, তখন তাদের মধ্যকার সম্পর্কে টানাপোড়েন বাড়ছে।

ট্রাম্প বললেন, যদি এটা কোনো ভুল হয়ে থাকে, ভুল তো ভুলই। কিন্তু তারা যদি সচেতনভাবেই দায়ী হয়, হ্যাঁ, আমি বলতে চাচ্ছি, তখন নিশ্চিতভাবেই তারা ফল ভোগ করবে।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে, সেই ব্যাখ্যা দেননি এই রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট।

গত বছরের শেষ দিন উহান থেকে ভাইরাসটির প্রাদুর্ভাবের পর ট্রাম্প ও তার জ্যেষ্ঠ সহযোগীরা চীনের বিরুদ্ধে স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগ তুলেছেন।

আর চলতি সপ্তাহে ‘চীন-ঘেঁষা’ আখ্যা দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে সহযোগিতা বন্ধ করে দিয়েছেন ট্রাম্প।

ভাইরাসটি নিয়ে বেইজিং ও ওয়াশিংটন বেশ কয়েকবার প্রকাশ্যেই বিতর্কে জড়িয়েছে। যদিও প্রথম দিকে চীন ও দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অতিরিক্ত তারিফ করেছেন ট্রাম্প।


মন্তব্যসমূহ