জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

করোনা ভাইরাস: কারণে লকডাউন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক



করোনা ভাইরাসের কারণে লকডাউন করা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর। গত এক সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী করোনভাইরাস থেকে মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) সংবাদ মাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রেট জার্নাল এই তথ্য জানিয়েছে।

করোনাভাইরাসের সঙ্কটের প্রতিক্রিয়া হিসাবে শুক্রবার ক্যালিফোর্নিয়া এবং নিউইয়র্ক শহরের জরুরি অবস্থার জোরদার করেছে। সেখানকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়িদের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে দেশটি।

ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউজম বলেন, এই এলাকার চল্লিশ লাখ বাসিন্দাকে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়ার পরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নিউইয়র্ক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুওমো বলেন, রাজ্যের সকল কর্মীকে প্রয়োজনীয় সকল ধরণের সেবা দেওয়া হবে। প্রত্যেকে বাড়িতে নিরাপদে থাকুন এবং সরকারি আইন মানুন। যদি কেউ সরকারি আইন মেনে না চলেন তাহলে তাদের জরিমানা গুণতে হবে। 

তিনি জানান, অন্য অন্য রাজ্যের চেয়ে নিউইয়র্কের করোনা ভাইরাসে সংক্রমণে আক্রান্ত রয়েছে ৭ হাজার ১০২ জনের। নিউইয়র্ক শহরে আক্রান্তের সংখ্যা দুই কোটি ছাড়িয়ে যেতে পারে। ইতোমধ্যে হাসপাতালগুলোতে  চাপ বাড়ছে।

যুক্তরাষ্ট্রে গত সপ্তাহে মৃত্যুর হার বেড়েছে। গত ১৩ মার্চ আক্রান্তের সংখ্যা ছিল মাত্র ১ হাজার ৭০০ জন। কিন্তু এক সপ্তাহের ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৩৩২ জনে।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি রাজ্যে নিউ ইয়র্ক , ওয়াশিংটন এবং ক্যালিফোর্নিয়া। করোনাভাইরাসের প্রদুর্ভাব সবচেয়ে বেশি।


সূত্র:  দ্য ওয়াল স্ট্রেট জার্নাল 

মন্তব্যসমূহ