প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

কক্সবাজারে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত



কক্সবাজারে প্রথম একজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মহিউদ্দিন।

তিনি জানান, আক্রান্ত একজন নারী রোগী বেশ কয়েকদিন যাবৎ হাসপাতালের কেবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। চিকিৎসার একপর্যায়ে ওই রোগীর মাঝে করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা দেয়ায় তার রক্তের নমুনা আইইডিসিআর-এ পাঠানো হলে মঙ্গলবার দুপুরে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে।

ডা. মহিউদ্দিন জানান, ওই রোগী সৌদি ফেরত বলে জানা গেছে। তার বাড়ি কক্সবাজারের খুটাখালিতে।

কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মাহবুবুর রহমান জানান, এর আগে সন্দেহজনক আরও দুইজনের স্যাম্পল পাঠানো হয়েছিল আইইডিসিআরে, তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল। গত ২২ মার্চ শনাক্ত হওয়া রোগীর স্যাম্পল পাঠানো হয়েছিল যা পজিটিভ রিপোর্ট আসল ।

এটাই কক্সবাজারের প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী বলে জানান তিনি।

এ দিকে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ঠাণ্ডাজনিত অসুস্থতা নিয়ে ভর্তি হওয়া বয়স্ক ওই নারী প্রথমে জানাননি তিনি বিদেশ ফেরত। ফলে হাসপাতালের চিকিৎসক-সেবিকাসহ সংশ্লিষ্টরা স্বাভাবিক রোগীর মতোই তাকে চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। পরে বিদেশ ফেরত জানতে পারেন এবং করোনার লক্ষণ দেখা দেয়ায় পরীক্ষার জন্য নমুনা পাঠানো হয়।

নমুনায় পজিটিভ আসায় ওই নারীকে সেবা দেয়া চিকিৎসক-সেবিকারা আতংকিত হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে। এমনকি পজিটিভ রিপোর্ট আসার সঙ্গে সঙ্গে অনেক চিকিৎসক হোম কোয়ারেন্টিনে চলে গেছেন বলেও জানা গেছে।

হাসপাতালের একজন চিকিৎসক জানান, আক্রান্ত ওই নারীর মাধ্যমে অনেকের মাঝে কোভিড-১৯ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাকে চিকিৎসা দেয়া চিকিৎসকরা আবার হাসপাতালের অন্য রোগীদের চিকিৎসা দিয়েছেন, তাদের পরিবারের সঙ্গে মিশেছেন। সেই রোগীর স্বজনরা আবার অনেকের সঙ্গে মিশেছেন। এভাবে হয়ত এটা সবার অজান্তে অনেকের মাঝে ছড়িয়ে পড়েছে। যুগান্তর

মন্তব্যসমূহ