প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ধামরাইয়ে কোয়ারেন্টিন সেন্টার থেকে ২৮ সিলিংফ্যান চুরি!



ঢাকার ধামরাই উপজেলায় আটিমাইটাইন এলাকায় সরকারি ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালের কোয়ারেন্টিন সেন্টার থেকে ২৮টি সিলিংফ্যান চুরি হয়েছে।

শুক্রবার দিনগত রাতে ওই হোম কোয়ারেন্টিনের সব কক্ষ থেকে ২৮টি সিলিংফ্যান চুরি করা হয়।

জানা যায়, উপজেলা সদরের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি হাসপাতালটিতে জনবল সংকট এবং রোগীর চাপের কারণে উপজেলা দুর্গম এলাকায় অবস্থিত এ হাসপাতালটিতে হোম কোয়ারেন্টিন সেন্টার স্থাপন করা হয়।

শুক্রবার দিনগত রাতে ওই হোম কোয়ারেন্টিন সেন্টারের সব কক্ষ থেকে ২৮টি সিলিংফ্যান চুরি করে চোরের দল।

শুধু তাই নয়, এ সময় হোম কোয়ারেন্টিন সেন্টারে নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা ইতালিফেরত সাতজনসহ মোট ১০ জনের নগদ লক্ষাধিক টাকা ও মোবাইল ফোনসহ প্রয়োজনীয় ব্যবহার্য জিনিসপত্রও চুরি করে। ফলে পর্যবেক্ষণে থাকা ব্যক্তিরা চরম নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করছেন।

কোয়ারেন্টিনে থাকা প্রবাসীরা বলেন, ঘাতক ব্যাধি করোনাভাইরাসও জীবনের জন্য যেমন ঝুঁকিপূর্ণ, তেমনি চোর কিংবা ডাকাতও জীবনের জন্য একই রকম হুমকি। ঘাতক ভাইরাস যেমন জীবন কেড়ে নিতে সক্ষম, তেমনি চোর বা ডাকাতরা স্বার্থের জন্য যে কাউকে নির্মমভাবে হত্যা করতে পারে। তাই এ সেন্টারে নিরাপত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি সেবার মান বাড়াতে জনবলও বাড়ানো উচিত।

এ ব্যাপারে ধামরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইফফাত আরার মোবাইলে কল করা হলে তিনি তা রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে কথা হয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সামিউল হকের সঙ্গে। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে খোঁজখবর নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সুত্র নিউজ: যুগান্তর

মন্তব্যসমূহ