প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

নেপালে দু’জনের শরীরে করোনা পৌঁছাতেই দেশজুড়ে লকডাউন



দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবার আগে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছিল চীনের সীমান্তবর্তী দেশ নেপালে। এরপর থেকেই নানা ব্যবস্থায় প্রাণঘাতী এই ভাইরাস সংক্রমণ ঠেকিয়ে রেখেছিল তারা। প্রায় আড়াই মাস পর সোমবার দেশটিতে করোনা আক্রান্ত দ্বিতীয় রোগী পাওয়া গেছে। এর কয়েক ঘণ্টা পরই দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা করেছে নেপাল সরকার।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ভোর ৬টা থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত নেপালজুড়ে লকডাউন থাকবে। সোমবার কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে সরকার গঠিত উচ্চপর্যায়ের সমন্বয় কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নেপালে করোনা আক্রান্ত দু’জনই বিদেশফেরত। গত ১৩ জানুয়ারি গলায় জ্বালাপোড়া ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন চীনফেরত এক শিক্ষার্থী। দিন দশেক পর তার শরীরে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর আজ ফ্রান্সফেরত এক কিশোরীর শরীরে পাওয়া গেছে এই ভাইরাস।

রোগী খুব বেশি না হলেও ইতোমধ্যেই করোনা ঠেকাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে নেপাল সরকার। দেশজুড়ে সব সিনেমা হল, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, স্টেডিয়াম, জাদুঘর, সুইমিংপুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এই নিষেধাজ্ঞা, প্রয়োজনে তা আরও বাড়ানো হতে পারে।

এছাড়া দেশটির রাজধানী কাঠমান্ডুতে সেনাবাহিনীর সদর দফতরে মডেল কোয়ারেন্টাইন জোন তৈরি করা হয়েছে। এতে অন্তত ৫৪টি তাঁবু রয়েছে। একেকটি তাঁবুতে দু'জন করে রোগী থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সেখানে একাধিক আইসোলেশন রুম, নিয়মিত চেক-আপ রুম, আলাদা পানির ট্যাপ রয়েছে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবিলার সময় কীভাবে রোগীদের সেবা দিতে হবে, ইতোমধ্যেই সুরক্ষা সামগ্রী পরে তার মহড়া করেছেন দেশটির সেনা সদস্যরা। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় নেপালের অসাধারণ প্রস্তুতি প্রশংসা কুড়াচ্ছে সারাবিশ্বে।

সূত্র: এএনআই, হিমালয়ান টাইমস, নেপালি টাইমস

মন্তব্যসমূহ