আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

হিন্দুরা ভারতে মুসলিম গণহত্যায় মেতেছে: এরদোয়ান




সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধিয়ে মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনে ভারতের ক্ষমতাসীন সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। নয়াদিল্লির সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় ৩৪ জনের প্রাণহানির ঘটনায় বৃহস্পতিবার ভারতের সমালোচনা করে দ্রুত এই গণহত্যা বন্ধের আহ্বান জানান তিনি।

নাগকিত্ব সংশোধনী আইনের (সিএএ) বিপক্ষের লোকজনের সঙ্গে দেশটির ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও কট্টর হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবকের কর্মী-সমর্থকদের সংঘাত সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় রুপ নেয়। গত রোববার থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে মুসলিমবিদ্বেষী কট্টরপন্থী হিন্দুরা বেছে বেছে নয়াদিল্লির বেশ কিছু এলাকায় মুসলিমদের বাড়ি-ঘর, দোকানপাট ও মসজিদে হামলা এবং অগ্নিসংযোগ করে।

এই হামলার তীব্র সমালোচনার করে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, ভারত বর্তমানে এমন একটি দেশে পরিণত হয়েছে, যেখানে ব্যাপক আকারে গণহত্যা চলছে। কোন গণহত্যা? মুসলিম গণহত্যা। কারা করছে? হিন্দুরা।

নাগরিকত্ব আইনবিরোধী বিক্ষোভকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় রুপ দেয়া বিজেপি-আরএসএসের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের হামলায় আহত হয়েছেন দুই শতাধিক মানুষ। মুসলিমবিদ্বেষী এই তাণ্ডবের সময় শত শত যানবাহনেও আগুন দেয়া হয়।

ফরাসী বার্তাসংস্থা এএফপি নয়াদিল্লির বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের নথি দেখতে পেয়েছে। এতে দেখা যায়, আহতদের মধ্যে হিন্দু-মুসলিম উভয় ধর্মের অনুসারীই রয়েছেন।

নয়াদিল্লিতে প্রাইভেট পড়তে যাওয়া শিশুরাও দাঙ্গাবাজদের কবল থেকে রক্ষা পাননি বলে অভিযোগ করেছেন এরদোয়ান। তিনি বলেছেন, শিশুদের ধাতব লাঠি দিয়ে হত্যার উদ্দেশে মারধর করা হয়েছে। তুর্কি এই প্রেসিডেন্ট বলেন, এ ধরনের মানুষ কীভাবে বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা করবে? এটা অসম্ভব।

এর আগে, বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান নয়াদিল্লিতে মুসলিম নিপীড়ন বন্ধে বিশ্ব সম্প্রদায়কে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান।


মন্তব্যসমূহ