জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

‘কাশ্মীরের পর লক্ষ্য ভারতের ২০ কোটি মুসলিম’




ভারতে সহিংসতার ব্যাপারে বিশ্ব নেতাদের প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সিরিজ টুইটার বার্তায় তিনি বলেছেন, ভারত অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর দিয়ে শুরু হয়েছে। এবার ভারতের ২০ কোটি মুসলমানকে লক্ষ্যবস্তেুতে পরিণত করা হলো। এখনই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ বিষয়ে কিছু করা উচিত।

‌‌আরও বলেন, নাৎসিবাদী আদর্শ দ্বারা উৎসাহিত রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ ১০০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যা অধ্যুষিত পরমাণু শক্তিধর দেশের ক্ষমতা দখল করেছে।

গত বছর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশনে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি ভারতে এ ধরনের দফায় দফায় সহিংসতার পূর্বাভাস দিয়েছিলেন এবং ভারতের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অবস্থা আরো খারাপ হবে বলে ইমরান খান মন্তব্য করেন।

নিজ দেশের সংখ্যালঘুরা যেন হামলার শিকার না হন এ ব্যাপারে টুইটার বার্তায় ইমরান খান সতর্ক করেন।

তিনি বলেন, পাকিস্তানেও সংখ্যালঘু সম্প্রদায় রয়েছে। তারা পাকিস্তানে সমান অধিকার নিয়ে বসবাস করবে; কেউ যদি তাদের ওপর কিংবা তাদের উপসানালয়ের ওপর হামলা করে তাহলে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিএএ সমর্থনকারী ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষে মৃতের সংখ্যা বাড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন দুই শতাধিক।
বৃহস্পতিবার এক ধাক্কায় প্রাণ গেছে আরও সাতজনের। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতীয় একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এ খবর জানানো হয়েছে।

এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দিল্লি যে ব্যর্থ সে কথা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দিল্লিতে এতো মানুষের মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক।

মন্তব্যসমূহ