কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী

 কক্সবাজারের মহেশখালীর উদ্দেশে হেলিকপ্টারে চড়ে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ রোববার (৯ আগস্ট) সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে তিনি তেজগাঁও বিমান বন্দর থেকে মহেশখালীর উদ্দেশে রওনা হয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীতে মাতাবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় যাবেন এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে নতুন ঘর হস্তান্তর করবেন। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচি : সকাল সাড়ে ১০টায় মহেশখালীর মাতাবাড়ির গভীর সমুদ্র বন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন, বেলা সাড়ে ১২টায় মহেশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে আয়োজিত সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের অনুষ্ঠানে যোগদান, দুপুর ২টায় ফটিকছড়ির আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলম বাবুনগর মাদ্রাসায় আল্লাম শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ, সোয়া ৩টায় হাটহাজারীর আল জ...

গোয়ায় ভারতীয় যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত



ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় রাজ্য গোয়ায় দেশটির নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান মিগ-২৯ বিধ্বস্ত হয়েছে। রোববার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গোয়া উপকূলের কাছে প্রশিক্ষণ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। তবে বিমানের পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে এসেছেন।

ভারতীয় নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে দুর্ঘটনার কারণ জানতে একটি তদন্ত কমিটি কাজ শুরু করেছে বলে জানানো হয়।

টুইটারে দেয়া এক বার্তায় ভারতীয় নৌবাহিনী বলছে, গোয়া উপকূলের কাছে রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিয়মিত প্রশিক্ষণের সময় একটি মিগ-২৯ বিমান বিধ্বস্ত হয়। বিমানের পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে এসেছেন এবং তাদের উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনা তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া (পিটিআই) বলছে, গোয়া উপকূলের ভাসকোর আইএনএস হংস ঘাঁটি থেকে বিমানটি উড্ডয়ন করেছিল। বিমানটি পাইলট ক্যাপ্টেন এম শেওখন্দ ও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার দ্বীপক যাদব নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন।

নৌবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানটিতে এক ঝাঁক পাখি আঘাত হেনেছিল। ফলে বিমানের ডান পাশের ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায় এবং বাম পাশের ইঞ্জিন বিকল হয়। বিমানের পাইলটরা প্রশংসনীয় বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে জনশূন্য জমিতে বিমানটি অবতরণ করেন। যে কারণে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে গোয়ার ডাবোলিম থেকে উড্ডয়নের পরপরই একই ধরনের দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল নৌবাহিনীর অপর একটি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান। তারও আগে গত জুনে একটি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানে সমস্যা দেখা দেয়ায় গোয়া বিমানবন্দরে প্রায় ৯০ মিনিট ধরে বিমানের উড্ডয়ন এবং অবতরণ বাতিল করা হয়।

গোয়া বিমানবন্দরে দেশটির সামরিক ও বেসামরিক বিমানের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ওই সময় নৌবাহিনীর মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানের জ্বালানি ট্যাংকে সমস্যা দেখা দেয়ায় উড্ডয়নের সময় রানওয়েতে আগুন ধরে যায়।

মন্তব্যসমূহ