নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

মিসরের সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারক মারা গেছেন



মিসরের সাবেক স্বৈরশাসক হোসনি মুবারক মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৯১ বছর। ৩০ বছর দেশ শাসনের পর ২০১১ সালে এক অভ্যুত্থানে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

মিসরের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, অস্ত্রোপচারের এক সপ্তাহ পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মঙ্গলবার মারা গেছেন।

মিসরের চতুর্থ প্রেসিডেন্ট হিসেবে মুবারক ক্ষমতায় আরোহন করেন ১৯৮১ সালে। আরব বসন্ত হিসেবে খ্যাতি পাওয়া অভ্যুত্থানে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে এ আরব বসন্তের সৃষ্টি হয়েছিল।

অভ্যুত্থানের পর কয়েক বছরের জন্য তিনি জেলবন্দি হন। তবে ২০১৭ সালে অধিকাংশ অভিযোগ থেকে রেহাই পাওয়ার পর জেল থেকেও মুক্তি পান তিনি।

তার শাসনামলে দুর্নীতি, পুলিশী নির্যাতন, রাজনৈতিক নিপীড়ন ও অর্থনৈতিক দুরবস্থার অভিযোগ ছিল।

মিসরের গ্রামীণ এলাকা নীল ডেলটায় ১৯২৮ সালে জন্ম হয়েছিল মুবারকের।

সূত্র : আলজাজিরা

মন্তব্যসমূহ