তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ট্রাম্পকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে চায় ইরান



ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের প্রধান ও শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার ঘটনায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আন্তর্জাতিক আদালতে নিতে চায় ইরান।

নেদারল্যান্ডসের হেগে অবস্থিত আন্তর্জাতিক আদালতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের মামলা করতে যাচ্ছে তেহরান। খবর আলজাজিরার।

ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা চালিয়ে গত ৩ জানুয়ারি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মার্কিন বাহিনী।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশেই ওই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সে কারণেই ট্রাম্পকে বিচারের মুখোমুখি করতে চায় তেহরান।

ইরান যদি আন্তর্জাতিক আদালতে এ বিষয়ে মামলা করে, তবে তা হবে ওয়াশিংটনের জন্য লজ্জাজনক।

জাতিসংঘের তদন্তকারী অ্যাগনেস কালামার্ডের মতে, জেনারেল সোলাইমানির হত্যাকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে।

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ইরানের মামলা তেহরানের সাম্প্রতিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভকে ভিন্নমাত্রায় প্রভাবিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোলাইমানির হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ হিসেবে গত বুধবার ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালায় তেহরান।

এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানের ইমাম খামেনি বিমানবন্দরের কাছেই ইউক্রেনের একটি যাত্রীবাহী বিমান ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়।

প্রথম দিকে বিমান বিধ্বস্তের বিষয়টি অস্বীকার করা হলেও পরে এর দায় স্বীকার করেছে ইরান। ১৭৬ আরোহী নিয়ে বিধ্বস্ত হওয়া বিমানের অধিকাংশ যাত্রীই ছিল ইরানের নাগরিক।

ফলে কর্তৃপক্ষের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সরব হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন ইরানিরা। এখন যদি ইরান আন্তর্জাতিক আদালতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বিচারের মুখোমুখি করতে পারে, তবে জনগণের ক্ষোভ কিছুটা হলেও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

মন্তব্যসমূহ