প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

লিঙ্গ কেটে স্বামীর পরকীয়ার শোধ!



পরকীয়া প্রেমের কারণে স্বামীর লিঙ্গ ও অণ্ডকোষ কেটে ফেলেছেন তার সাবেক স্ত্রী মিসেস লি (৫৮)। তারপর তা এসিড দিয়ে জ্বালিয়ে দিয়ে টয়লেটে ফেলে ফ্লাশ করে দৃষ্টির আড়ালে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এরপর নিজে ৪০টি ঘুমের ট্যাবলেট সেবন করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। এখন দু’জনেই মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন। এ ঘটনা ঘটেছে তাইওয়ানের সিনহু প্রেসিঙ্কট এলাকায়। 

বৃটেনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণ এ খবর দিয়ে জানায়, মিসেস লি (৫৮) সম্প্রতি জানতে পারেন, যখন তাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিল, তখন তার সঙ্গে প্রতারণা করে তার স্বামী চেন অন্য নারীর সঙ্গে প্রেমে মজেছেন। এর শোধ নিতে তিনি তার সাবেক ওই স্বামীকে অচেতন করে ফেলেন। এরপর একটি ধারালো কাঁচি নিয়ে স্বামীর লিঙ্গ কেটে ফেলেন। তা এসিডে গুলিয়ে টয়লেটে ফ্লাশ করে দিয়ে ঘুমের ওষুধ সেবন করেন তিনি।

তার আগে বলে যান, যদি আমি এটা ব্যবহার করতে না পারি, তাহলে কাউকেই ব্যবহার করতে দেবো না।

তাইওয়ানের উত্তরাঞ্চলে হুকুউ শহরে ওই নারীর বাসায় এ ঘটনা ঘটে ২৪শে জুলাই। খবরে বলা হয়, ওই দম্পতির বিচ্ছেদ হয় এক মাস আগে। কিন্তু তার স্বামী মিস্টার চেন দু’বছর ধরে ছিলেন বেকার। এ সময়ে তিনি স্ত্রীর সঙ্গে বসবাস করতে থাকেন। স্থানীয় পুলিশ বলেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৮টা ৫০ মিনিটে মিস্টার চেনের ফোন পান। এ সময় তিনি গোঙাচ্ছিলেন। তার স্ত্রী তার ওপর আরো প্রতিশোধ নেবে এই আশঙ্কায় তিনি নিজেকে একটি টয়লেটের ভেতর আবদ্ধ করে রাখেন।

মিসেস লি’কে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বলেছেন, তার আয়ের ওপরই বসে বসে খাচ্ছিলেন চেন। তা সত্ত্বেও তিনি জানতে পারেন পাশেই আরেকজন নারীর সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। এ কথা জানতে পেরে তিনি চেনের পুরুষাঙ্গ কর্তনের পরিকল্পনা করেন। সেই অনুযায়ী, তাকে অজ্ঞান করে ফেলেন। কাঁচি দিয়ে তার লিঙ্গ ও অণ্ডকোষ কেটে ফেলেন। 

মন্তব্যসমূহ