জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

সাজা বাড়ছে ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াও অপরাধের

যানবাহন ভাঙচুর, জ্বালাও-পোড়াওসহ এ ধরনের অপরাধের সাজার মেয়াদ বৃদ্ধি করে ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ’ (দ্রুত বিচার) (সংশোধন) আইন, ২০১৭-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

খসড়ায় সাজার মেয়াদ পাঁচ থেকে দুই বছর বাড়িয়ে সাত বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জননিরাপত্তা বিভাগ মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই প্রস্তাব উপস্থাপন করে। পরে মন্ত্রিসভা প্রস্তাবটি নীতিগতভাবে অনুমোদন দেয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম বলেন, ২০০২ সালে এই আইন করা হয়েছিল। আইনের ৪ নম্বর ধারায় ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদা আদায়, স্থলপথ, জলপথ ও রেলপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী, যানবাহনে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং এর গতিপথ পরিবর্তন এই ধরনের অপরাধের জন্য বিদ্যমান আইনে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের সাজার কথা বলা আছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন জায়গা থেকে এই সাজার মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব এসেছে। দফায় দফায় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সর্বোচ্চ সাজার মেয়াদ সাত বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরো বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষণাবেক্ষণ ও বর্জ্য অপসারণের বিষয়ে রাশিয়ান ফেডারেশনের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের একটি খসড়াও অনুমোদন করা হয়।

মন্তব্যসমূহ