আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

লন্ডন হামলায় বিশ্বনেতাদের নিন্দা

নির্বাচনের মাত্র চার দিন আগে আবারো সন্ত্রাসী হামলায় রক্তাক্ত হলো যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ব নেতারা।

শনিবার রাতে লন্ডন ব্রিজে ভ্যান চালিয়ে ছুরি নিয়ে হামলায় নিহত হয় সাতজন। পুলিশের গুলিতে নিহত হয় তিন হামলাকারী। আহত ৪৮ জন।

এ ঘটনার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে'র অফিস জানিয়েছে, তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন এবং সব খবর জানছেন। রবিবার জরুরি বৈঠক ডেকেছেন তিনি।


বিরোধী নেতা জেরেমি করবিন এই ঘটনাকে নৃশংস এবং ভয়াবহ বলে উল্লেখ করেছেন।

লন্ডনের মেয়র সাদিক খান এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এটিকে লন্ডনের সাধারণ জনগণের উপর কাপুরুষোচিত হামলা বলে উল্লেখ করেছেন।

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের মুখপাত্র স্টেফান সাইবার্ট টুইটারে লিখেছেন, ‘আমরা লন্ডনের মানুষের পাশে আছি। আমরা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একসঙ্গে দাঁড়াবো।'

তার টুইটে ম্যার্কেলের বিবৃতির উল্লেখ রয়েছে, যেখানে ম্যার্কেল এই হামলার ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেছেন, জার্মানি যুক্তরাজ্যের পাশে আছে এবং যেকোন সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে তারা লড়াই করে যাবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোনে সমবেদনা জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, তার ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মুসলিমদের প্রবেশ বন্ধ করে দেবে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সদ্য ইউরোপ সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। তিনি এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন টুইটারে।

প্রথমে ২০ বা ৩০ জন আহতের খবর জানা গেলেও লন্ডনে অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া আহতদের সংখ্যা ৪৮ জন বলে জানিয়েছে।

ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো টুইটারে লিখেছেন, এই হামলার ঘটনায় ক্যানাডাবাসী লন্ডনের সঙ্গে আছে, এটাকে দুঃখজনক খবর বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

লন্ডন হামলার ঘটনায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন পপ শিল্পী আরিয়ানা গ্র্যান্ডে। গত মাসেই ম্যানচেস্টারে তার কনসার্ট চলাকালে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ২২ জন নিহত হয়।

লন্ডন পুলিশের টুইট, যেখানে তারা জানাচ্ছেন, লন্ডন ব্রিজ এবং বারা মার্কেটে হামলায় ৬ জন নিহত হয়েছে। ব্রিটিশ পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের প্রধান মার্ক রাউলি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, পুলিশ কর্মকর্তাদের গুলিতে তিন পুরুষ হামলাকারী নিহত হয়েছে এবং তাদের বিশ্বাস এই ঘটনায় আর কোন হামলাকারী ছিল না। এরপরও তারা তদন্ত চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।

সূত্র: ডয়চে ভেলে

মন্তব্যসমূহ