ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

রাশিয়া ও এফবিআই’র কারণে নির্বাচনে হেরেছি: হিলারি

মার্কিন নির্বাচন পরে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়িত্ব গ্রহণের পর ১০০ দিন পার হলেও নির্বাচন নিয়ে এখনো আলোচনা থামেনি।

নির্বাচনে পরাজয় নিয়ে এবারে খোলামেলা কথা বলছেন হিলারি ক্লিনটন। নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড সামিটের এক অনুষ্ঠানে মিস ক্লিনটন বলেছেন, নির্বাচনের প্রচারাভিযান নিয়ে তিনি একটি বই লিখছেন।

সে বইয়ের জন্য মিস ক্লিনটন তার নির্বাচনে পরাজয়ের কারণ চিহ্নিত করার জন্য ব্যাপক গবেষণা করেছেন।


তিনি বলেন, তার নির্বাচনী প্রচারাভিযানে চ্যালেঞ্জ, সমস্যা এবং ঘাটতি ছিল। নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য মিস ক্লিনটন তৎকালীন এফবিআই ডিরেক্টর জেমস কমি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে দায়ি করেছেন।

মিস ক্লিনটন দাবি করেন, তিনি নির্বাচনে জয়ের পথে ছিলেন। কিন্তু অক্টোবরের ২৮ তারিখে তৎকালীন এফবিআই ডিরেক্টরের চিঠি এবং রাশিয়ার সংশ্লিষ্টতার কারণে ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি।

গত বছরের অক্টোবরের ২৮ তারিখে তৎকালীন এফবিআই মার্কিন কংগ্রেসকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে হিলারি ক্লিনটনের ব্যক্তিগত ইমেইলের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।

২০১৬ সালের অক্টোবরের ২৭ তারিখে নির্বাচন হলে জয়লাভ করা সম্ভব হতো বলে মনে করেন হিলারি ক্লিনটন।

মিস ক্লিনটন বলেন তার নির্বাচনী প্রচারণার শেষ ১০দিনে সব কিছু পাল্টে যায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বড় একটি দলের হয়ে প্রথমবারের মতো একজন নারী প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়াই করেন। সেটিও তার পরাজয়ের জন্য একটি বড় কারণ হতে পারে বলে মন্তব্য করেন সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এটা সত্যি। নারীদের প্রতি বৈষম্য রাজনীতি, সমাজ এবং অর্থনীতির একটি অংশ।

তার নির্বাচনে জয়লাভ করা নারী অধিকারের জন্য বিশ্বজুড়ে একটি বড় বিষয় হতে পারতো বলে মিস ক্লিনটন মনে করেন।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতির সমালোচনা করেন হিলারি ক্লিনটন। তিনি বলেন উত্তর কোরিয়ার মিসাইল এবং পারমানবিক কার্যক্রম বন্ধের জন্য একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা দরকার।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে মিস ক্লিনটন বলেন, কোনো এক সকালে শুধু কিছু টুইটারে বার্তা লিখে এ সমস্যার সমাধান করা যাবে না।

হিলারি ক্লিনটন বলেন তিনি এখন একজন সক্রিয় নাগরিক হিসেবে তার দায়িত্ব পালন করবেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যেসব ভুল নীতি রয়েছে সেগুলোর বিরুদ্ধে কথা বলবেন।

সূত্র: বিবিসি

মন্তব্যসমূহ