প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

তিন বছর পর মুক্ত আইএসের ‘ক্রীতদাস’ ৩৬ ইয়াজিদি

ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের হাতে প্রায় ৩ বছর ক্রীতদাস হিসেবে আটক হয়ে থাকা ৩৬ জন ইয়াজিদিকে মুক্ত করা হয়েছে।
ইরাকে জাতিংঘের কার্যালয় থেকে এ কথা জানানো হয়। জাতিসংঘের ধারণা, এখনো আইএসের হাতে প্রায় ১৫শ’ নারী ও শিশু আটক আছে।
মুক্ত করা ৩৬ জনের দলটির মধ্যে পুরুষ, মহিলা এবং শিশুরাও রয়েছে। তাদেরকে কুর্দিপ্রধান উত্তর ইরাকের ডোহুকে জাতিসংঘের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
তবে ঠিক কোথায় তাদের আটকে রাখা হয়েছিল এবং কি ভাবেই বা মুক্ত করা হলো – তা জানানো হয়নি।

এখনো যে ইয়াজিদিরা আটক আছেন তাদের উদ্ধারকাজে সমস্যা হতে পারে এই আশংকা থেকেই সম্ভবত এই উদ্ধার অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ জানাো হয় নি।
ইরাকে ২০১৪ সালে যখন আই এস দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয় তখন তারা সংখ্যালঘু ইয়াজিদি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বহু লোককে হত্যা এবং বন্দী করে।
এদের দাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এবং যৌন নির্যাতনও চালানো হয় বলে সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

মন্তব্যসমূহ