জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

তিন বছর পর মুক্ত আইএসের ‘ক্রীতদাস’ ৩৬ ইয়াজিদি

ইসলামিক স্টেট জঙ্গীদের হাতে প্রায় ৩ বছর ক্রীতদাস হিসেবে আটক হয়ে থাকা ৩৬ জন ইয়াজিদিকে মুক্ত করা হয়েছে।
ইরাকে জাতিংঘের কার্যালয় থেকে এ কথা জানানো হয়। জাতিসংঘের ধারণা, এখনো আইএসের হাতে প্রায় ১৫শ’ নারী ও শিশু আটক আছে।
মুক্ত করা ৩৬ জনের দলটির মধ্যে পুরুষ, মহিলা এবং শিশুরাও রয়েছে। তাদেরকে কুর্দিপ্রধান উত্তর ইরাকের ডোহুকে জাতিসংঘের একটি আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।
তবে ঠিক কোথায় তাদের আটকে রাখা হয়েছিল এবং কি ভাবেই বা মুক্ত করা হলো – তা জানানো হয়নি।

এখনো যে ইয়াজিদিরা আটক আছেন তাদের উদ্ধারকাজে সমস্যা হতে পারে এই আশংকা থেকেই সম্ভবত এই উদ্ধার অভিযানের বিস্তারিত বিবরণ জানাো হয় নি।
ইরাকে ২০১৪ সালে যখন আই এস দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয় তখন তারা সংখ্যালঘু ইয়াজিদি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের বহু লোককে হত্যা এবং বন্দী করে।
এদের দাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এবং যৌন নির্যাতনও চালানো হয় বলে সংবাদমাধ্যমের রিপোর্টে বলা হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

মন্তব্যসমূহ