আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজে ডাক, মমতা কি যাবেন


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মানে ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দেওয়া নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানো হল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
এপ্রিলের ৭ তারিখে তিন দিনের ভারতে সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রণববাবুর আতিথেয়তায় রাষ্ট্রপতি ভবনেই থাকবেন প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে রাষ্ট্রপতির দেওয়া নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে মমতাকে।

তবে রাজ্যকে এড়িয়ে কেন্দ্র একতরফা তিস্তা চুক্তি করতে চাইছে বলে অভিযোগ করেছেন মমতা।
তাঁর দাবি— এর ফলে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো লঙ্ঘন হচ্ছে।
 নবান্ন সূত্রের ইঙ্গিত, এই পরিস্থিতিতে ওই নৈশভোজে যেতে ইচ্ছুক নন মমতা। তবে তৃণমূলের এক নেতার কথায়, নৈশভোজে এখনও এক সপ্তাহের বেশি সময় বাকি। এর মধ্যে ইতিবাচক কিছু ঘটলে মুখ্যমন্ত্রী নিজের অবস্থান বদলাতেই পারেন।
 শেখ হাসিনার দুই উপদেষ্টা, এইচ টি ইমাম এবং মশিউর রহমান— দু’জনেই প্রকাশ্যে জানিয়েছেন যে প্রণববাবু ও মমতার ব্যক্তিগত সম্পর্কের রসায়নে তিস্তার জল গড়াবে বলে তাঁরা আশাবাদী।

শেখ হাসিনার সফর চলাকালীন বাংলাদেশ সংলগ্ন পাঁচ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে দিল্লিতে আমন্ত্রণ জানানোর কথা ভাবছে কেন্দ্র। তিস্তা চুক্তি নিয়ে এখনই চূড়ান্ত পদক্ষেপ করার পরিস্থিতি তৈরি না হলেও, কেন্দ্র চাইছে এই সফরে শেখ হাসিনার সঙ্গে এক বার আলোচনায় বসুন মমতা। সে ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা যাবে সব মহলে। তবে মমতা জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্ক অটুট রয়েছে। কিন্তু রাজ্যের স্বার্থ হানি হয় এমন কোনও কাজ তিনি করবেন না। সূত্র:  আনন্দবাজার

মন্তব্যসমূহ