প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে রেকর্ড করলো ভারত

একদিনে ১০৪টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে ভারত। এর আগে কোন দেশ একসাথে এতো বেশি স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠাতে পারেনি। ২০১৪ সালে রাশিয়া ৩৭টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেছিল।
ভারতের শ্রীহরিকোটা মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র থেকে এ স্যাটেলাইটগুলো উৎক্ষেপণ করা হয়। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মহাকাশের ক্ষেত্রে ভারত যে একটি শক্তিশালী দেশ হয়ে উঠছে এটি তার উদাহরণ।
ভারত যে স্যাটেলাইটগুলো উৎক্ষেপণ করেছে সেগুলো মহাকাশ থেকে ভালো ছবি পাঠাতে পারবে। ধারণা করা হচ্ছে, ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী চীন এবং পাকিস্তানের উপর নজরদারী করতেও সক্ষম হবে এ স্যাটেলাইটগুলো।
বিবিসি'র সংবাদদাতারা বলছেন, সফলভাবে ১০৪টি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ভারতের জন্য একটি বিরাট সাফল্য। মহাকাশ নিয়ে ভারতের যে উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা এটি তার ইঙ্গিত বহন করে।
মহাকাশে স্যাটেলাইট ব্যবসায় ভারত বেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসছে। প্রতিযোগী বিভিন্ন দেশের তুলনায় ভারত কম খরচে স্যাটেলাইট ভাড়া দিচ্ছে। চলতি বছর ভারত মহাকাশ গবেষণার জন্য তাদের আর্থিক বরাদ্দ বাড়িয়েছে। এছাড়া শুক্রগ্রহে মিশন পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত। বিবিসি

মন্তব্যসমূহ