প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

স্বপ্নে পাওয়া নাম্বার দিয়ে লক্ষ লক্ষ ডলার লটারি পুরস্কার

ক্যানাডার এক মহিলা লটারিতে ৩৯ লক্ষ ডলার লটারি জিতেছেন।
তবে সেটা বড় খবর না। বড় খবর হলো তিনি গত ৩০ বছর ধরে একই নাম্বার ব্যবহার করে লটারি খেলছেন এবং সেই নাম্বার তিনি পেয়েছেন স্বপ্নে।
ক্যানাডার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ নোভা স্কশিয়ার বাসিন্দা ওলগা বেনো বলছেন, ১৯৮৯ সালের মে মাসের এক রাতে তিনি স্বপ্নের মধ্যে এই নাম্বারগুলো পান।
তারপর থেকে নিয়মিতভাবে লটারিতে তিনি একই নাম্বার ব্যবহার করে আসছেন।
"নাম্বারগুলো আমার এতই চেনা। রাতে লটারির ফলাফল বেরোনোর পর আমার মনো হলো নাম্বারগুলো আমি টিভিতে দেখলাম। কিন্তু আমি চোখে ভাল দেখতে পাই না।" বলছিলেন মিজ বেনো, "এরপর এর কথা আমি একদম ভুলে যাই।"
পরের দিন পত্রিকার পাতায় চোখ বুলানোর সময় তিনি বিজয়ী নাম্বারগুলো আবার দেখতে পান।
"প্রথমে ভেবেছিলাম চোখে ভুল দেখছি না তো? নিশ্চয় কোথাও ভুল হয়েছে। পরে আমার বোনকে ফোন করে বললাম 'মনে হয় আমি লটারি জিতেছি।"
তার বোনও কথাটা বিশ্বাস করতে পারেননি।
গত ২৮শে ডিসেম্বর ক্যানাডিয়ান লটারিতে দুজন বিজয়ী হয়। মিজ বেনো ছিলেন তার মধ্যে একজন।
গত ১০ বছর আগে ওলগা বেনোর ক্যান্সার ধরা পড়ে।
চিকিৎসার খরচ জোগাতে তাকে বাড়ি বিক্রি করতে হয়।
এখন তিনি বলছেন, পুরস্কারের টাকা দিয়ে তিনি সুন্দর একটা বাড়ি তৈরি করে বাকি জীবনটা কাটাতে চান।
তবে তার আগে নাতী-নাতনিদের নিয়ে তিনি বেড়াতে যেতে চান ডিজনি ওয়ার্ল্ডে।বিবিসি

মন্তব্যসমূহ