তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

স্বপ্নে পাওয়া নাম্বার দিয়ে লক্ষ লক্ষ ডলার লটারি পুরস্কার

ক্যানাডার এক মহিলা লটারিতে ৩৯ লক্ষ ডলার লটারি জিতেছেন।
তবে সেটা বড় খবর না। বড় খবর হলো তিনি গত ৩০ বছর ধরে একই নাম্বার ব্যবহার করে লটারি খেলছেন এবং সেই নাম্বার তিনি পেয়েছেন স্বপ্নে।
ক্যানাডার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ নোভা স্কশিয়ার বাসিন্দা ওলগা বেনো বলছেন, ১৯৮৯ সালের মে মাসের এক রাতে তিনি স্বপ্নের মধ্যে এই নাম্বারগুলো পান।
তারপর থেকে নিয়মিতভাবে লটারিতে তিনি একই নাম্বার ব্যবহার করে আসছেন।
"নাম্বারগুলো আমার এতই চেনা। রাতে লটারির ফলাফল বেরোনোর পর আমার মনো হলো নাম্বারগুলো আমি টিভিতে দেখলাম। কিন্তু আমি চোখে ভাল দেখতে পাই না।" বলছিলেন মিজ বেনো, "এরপর এর কথা আমি একদম ভুলে যাই।"
পরের দিন পত্রিকার পাতায় চোখ বুলানোর সময় তিনি বিজয়ী নাম্বারগুলো আবার দেখতে পান।
"প্রথমে ভেবেছিলাম চোখে ভুল দেখছি না তো? নিশ্চয় কোথাও ভুল হয়েছে। পরে আমার বোনকে ফোন করে বললাম 'মনে হয় আমি লটারি জিতেছি।"
তার বোনও কথাটা বিশ্বাস করতে পারেননি।
গত ২৮শে ডিসেম্বর ক্যানাডিয়ান লটারিতে দুজন বিজয়ী হয়। মিজ বেনো ছিলেন তার মধ্যে একজন।
গত ১০ বছর আগে ওলগা বেনোর ক্যান্সার ধরা পড়ে।
চিকিৎসার খরচ জোগাতে তাকে বাড়ি বিক্রি করতে হয়।
এখন তিনি বলছেন, পুরস্কারের টাকা দিয়ে তিনি সুন্দর একটা বাড়ি তৈরি করে বাকি জীবনটা কাটাতে চান।
তবে তার আগে নাতী-নাতনিদের নিয়ে তিনি বেড়াতে যেতে চান ডিজনি ওয়ার্ল্ডে।বিবিসি

মন্তব্যসমূহ