ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

ব্রাজিলের কারাগারে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গায় নিহত ৬০

ব্রাজিলের একটি কারাগারে দাঙ্গায় অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন। আমাজন জঙ্গলের মানাউস শহরের দুটি মাদকচক্রের বিরোধের জের ধরে এ দাঙ্গার সুত্রপাত হয়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সোমবার দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

অ্যামাজনাস রাজ্যের রাজ্যের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সার্জিও ফনতেস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন,  কারাগারের ভেতরে মাদক চোরাকারবারী প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি গ্রুপের মধ্যে রবিবার রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এ সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ফনতেস আরও জানান, রবিবার শেষ রাতের দিকে এ দাঙ্গা শুরু হয়। সোমবার সকাল সাতটার দিকে তা নিয়ন্ত্রণে আনে নিরাপত্তাবাহিনী। কর্তৃপক্ষ এখনও কয়েদিদের সংখ্যা যাচাই করছে।

অনেক কয়েদি পালিয়ে যেতে পারে আশঙ্কার কথাও জানান ফনতেস।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেশটির কারাগারে সবচেয়ে ভয়াবহ দাঙ্গার ঘটনা এটি। অনেক নিহত বন্দির লাশ কারাগারের দেয়ালের উপর দিয়ে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এ নৃশংসতা ঘটেছে ব্রাজিলের সবচেয়ে ভয়ংকর ও শক্তিশালী সাও পাওলোভিত্তিক ফার্স্ট ক্যাপিটাল কমান্ড (পিসিসি) মাদকচক্রের সঙ্গে স্থানীয় নর্থ ফ্যামিলি বলে পরিচিত চক্রের মধ্যে। ধারণা করা হচ্ছে নর্থ ফ্যামিলির কোনও সদস্য পিসিসি সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। নর্থ ফ্যামিলি ব্রাজিলের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাদকচক্র রিও ডি জেনিরোভিত্তিক রেড কমান্ড (সিভি)-এর হয়ে কাজ করছে।

গ্লোবো টিভি জানিয়েছে, রবিবার শেষ রাতের দিকে কয়েদিদের একটি গ্রুপ গুলিবর্ষণ শুরু করে। এরপর তারা কারাগারের ১২ জন রক্ষীকে জিম্মি করে।

ব্রাজিলের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দি রাখা হয়। দেশটির কারাগারের মান নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা প্রশ্ন তুলেছে। কারাগারগুলোতে নিয়মিত দাঙ্গার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স।

মন্তব্যসমূহ