প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

ব্রাজিলের কারাগারে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গায় নিহত ৬০

ব্রাজিলের একটি কারাগারে দাঙ্গায় অন্তত ৬০ জন নিহত হয়েছেন। আমাজন জঙ্গলের মানাউস শহরের দুটি মাদকচক্রের বিরোধের জের ধরে এ দাঙ্গার সুত্রপাত হয়। আশঙ্কা করা হচ্ছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সোমবার দেশটির কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

অ্যামাজনাস রাজ্যের রাজ্যের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সার্জিও ফনতেস এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন,  কারাগারের ভেতরে মাদক চোরাকারবারী প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি গ্রুপের মধ্যে রবিবার রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। এ সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

ফনতেস আরও জানান, রবিবার শেষ রাতের দিকে এ দাঙ্গা শুরু হয়। সোমবার সকাল সাতটার দিকে তা নিয়ন্ত্রণে আনে নিরাপত্তাবাহিনী। কর্তৃপক্ষ এখনও কয়েদিদের সংখ্যা যাচাই করছে।

অনেক কয়েদি পালিয়ে যেতে পারে আশঙ্কার কথাও জানান ফনতেস।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরের মধ্যে দেশটির কারাগারে সবচেয়ে ভয়াবহ দাঙ্গার ঘটনা এটি। অনেক নিহত বন্দির লাশ কারাগারের দেয়ালের উপর দিয়ে বাইরে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

এ নৃশংসতা ঘটেছে ব্রাজিলের সবচেয়ে ভয়ংকর ও শক্তিশালী সাও পাওলোভিত্তিক ফার্স্ট ক্যাপিটাল কমান্ড (পিসিসি) মাদকচক্রের সঙ্গে স্থানীয় নর্থ ফ্যামিলি বলে পরিচিত চক্রের মধ্যে। ধারণা করা হচ্ছে নর্থ ফ্যামিলির কোনও সদস্য পিসিসি সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। নর্থ ফ্যামিলি ব্রাজিলের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাদকচক্র রিও ডি জেনিরোভিত্তিক রেড কমান্ড (সিভি)-এর হয়ে কাজ করছে।

গ্লোবো টিভি জানিয়েছে, রবিবার শেষ রাতের দিকে কয়েদিদের একটি গ্রুপ গুলিবর্ষণ শুরু করে। এরপর তারা কারাগারের ১২ জন রক্ষীকে জিম্মি করে।

ব্রাজিলের কারাগারগুলোতে ধারণক্ষমতার চেয়ে বেশি বন্দি রাখা হয়। দেশটির কারাগারের মান নিয়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা প্রশ্ন তুলেছে। কারাগারগুলোতে নিয়মিত দাঙ্গার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স।

মন্তব্যসমূহ