জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

শুধু অন্যের পোস্ট দেখলে মন খারাপ হতে পারে: গবেষণা

আপনি বেশি বেশি ফেসবুক ব্যবহার করছেন- কিন্তু নিজে কিছু করছেন না- আপনার মন খারাপ হতে পারে। সোশাল মিডিয়াতে সক্রিয় না থাকলে আপনি ঈর্ষার শিকার হতে পারেন।

ডেনমার্কের কোপেনহেগেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণা বলছে, যারা ফেসবুকের মত সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মানুষের সাথে কথাবার্তা না বলে শুধু অন্যের পোস্ট দেখে যাচ্ছেন, তাদের আবেগের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং জীবনের সন্তুষ্টি কমে যেতে পারে।

এই গবেষণায় অংশ নিয়েছিলেন এক হাজারেরও বেশি মানুষ, যাদের বেশিরভাগই মহিলা।


অবাস্তব সামাজিক তুলনা
গবেষণায় বলা হচ্ছে সোশাল মিডিয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে অন্য মানুষের পোস্ট, তাদের বিভিন্ন জায়গায় বেড়ানোর ছবি, নিখুঁত পারিবারিক জীবন, সাফল্যের কাহিনি ইত্যাদি দেখার পর মনে অবাস্তব তুলনা করার মনোভাব তৈরি হতে পারে।

এর ফলে ঈর্ষা বাড়তে পারে এবং মুড অফ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।

সাইবার সাইকোলজি, বিহেভিয়ার অ্যান্ড সোশাল নেটওয়ার্কিং সাময়িকীতে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, যারা সোশাল মিডিয়াতে অ্যক্টিভ থাকেন এবং নিয়মিতভাবে অন্য ব্যবহারকারীদের সাথে ভাবের আদান-প্রদান করেন তাদের মনের ওপর এই অভিজ্ঞতার শুভ প্রভাব পড়ার কথা।

কিন্তু যারা তেমন ইন্টার‍্যাক্টিভ না, তাদের মনের ওপর প্রভাব নেতিবাচক হতে পারে বলে গবেষকরা বলছেন।

তাহলে উপায় কি?
সহজ উপায় হচ্ছে সামাজিক যোগযোগের মাধ্যমে আরো বেশি সক্রিয় হওয়া। নিয়মিতভাবে কথাবার্তা বলা।

অন্য আরেকটি পথ হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে অন্তত কিছুটা সময় ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদি থেকে দূরে থাকা …অবশ্য যদি সেটা পারেন। বিবিসি

মন্তব্যসমূহ