ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

৩৮০০ বছরের পুরোনো আলুর ক্ষেত!

চারদিকে বড় বড় পাথর। মাঝের জায়গাটুকু সমান। এখানে লাগানো হয়েছিল আলু। এখন নয় প্রায় তিন হাজার ৮০০ বছর আগে!

কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া এলাকায় পাওয়া গেছে এমন আলুর ক্ষেত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটিই বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন ফসলের ক্ষেত!

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, দ্য জার্নাল সায়েন্স অ্যাডভান্সের ডিসেম্বর ইস্যুতে বিষয়টি বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা, শিকারী মানুষের ফসল করার ব্যাপারটির ক্ষেত্রে এটাই ‘প্রথম উদাহরণ’।

কেবল আলুক্ষেতই নয় পাওয়া যায় বিভিন্ন কাঠের উপকরণও। যা তিন হাজার বছরেরও বেশি সময়ের আগের মানুষ এসব উপকরণ দিয়ে বাগান পরিচর্যা করত। পরিষ্কারভাবে বললে, তখন কৃষি উপকরণ ব্যবহারও শিখে যায় মানুষ। প্রতিবেদনে বলা হয় ওই এলাকায় কাৎজি গোত্রের মানুষ  বাস করত।

প্রত্নতত্ত্ববিদ তানজা হফম্যান ও সিমন ফ্রেজার বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে কাজ করতে গিয়ে ওই আলুক্ষেতের সন্ধান পাওয়া যায়। প্রকল্পটি কাৎজি গোত্রের মানুষ নিয়ে কাজ করছিল। গবেষকরা আলুক্ষেতটি খুঁজে পান জলাশয়ের নিচে। শতকের পর শতকজুড়ে ওই জলাশয় টিকে আছে। জলাশয়ের পানি সরাতেই চোখে পড়েছে ওয়াপাতো টিউবার নামে এক ধরনের ফসলের অস্তিত্ব। যা দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে এক ধরনের আলু হিসেবেই চেনে। আলুক্ষেতের চারদিকে ছিল পাথরের দেয়াল। গবেষকরা জানান, এসব পাথর এখানে প্রাকৃতিকভাবে হয়নি, বরং আলু রক্ষার জন্য এসব পাথরের দেয়াল স্থাপন করে তারা। শুধু তাই নয়, ওই বাগান বা ক্ষেতে নিয়মমতো পানি প্রবেশ করানোর মতো ব্যবস্থাও তৈরি করে  তিন হাজার আটশো বছর আগের মানুষ!

জলাশয়ের পাশেই শুকনো এলাকা। গবেষকরা জানান, এসব এলাকায় মানুষ বাস করত। আলুক্ষেতের আশপাশে প্রায় ১৫০ ধরনের কাঠের যন্ত্রপাতির অংশ বিশেষ পাওয়া যায়। গবেষকদের দাবি, এগুলো কৃষি উপকরণ। এসব যন্ত্র  দিয়ে মাটি খুঁড়ে চারা রোপণ করত আদিম মানুষ। এনটিভি

মন্তব্যসমূহ