তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

ব্রাজিলে প্লেন দুর্ঘটনায় নিহতদের ২০ জনই সাংবাদিক (ভিডিও)


ব্রাজিলের ফুটবল ক্লাব শ্যাপেকোন্সের সদস্যসহ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় যে ৭৬ নিহত হয়েছেন তাদের ২০ জনই সাংবাদিক।

কলম্বিয়ান সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটির ৮১ আরোহীর মধ্যে ২১জনই ছিলেন সাংবাদিক, যারা ক্লাবের ফুটবল ম্যাচটি কাভার করার জন্য যাচ্ছিলেন।

ওই বিমানের মাত্র ৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা গেছে। এদের মধ্যে একজন সাংবাদিক।


স্থানীয় সময় সোমবার রাত সোয়া ১০টার দিকে কলম্বিয়ার মেডেলিনে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।


প্রাণে বেঁচে যাওয়া ওই সাংবাদিকের নাম রাফায়েল ভালমোরবিদা। সে ব্রাজিলের শহর ছাপিকো ভিত্তিক রেডিও স্টেশন ওয়েস্তি ক্যাপিটাল এ কর্মরত। এই রেডিও স্টেশনের আরও তিনজন বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

ওই বিমানটিতে প্রতিবেদক, ফটো-সাংবাদিক, ক্যামেরাম্যান, ধারাভাষ্যকারসহ সংবাদমাধ্যমে কাজ করা প্রায় সব ধরণের কলাকুশলীই ছিল।

ব্রাজিলের একটি বড় মিডিয়া কোম্পানি গ্লোবোতে কাজ করতেন দুর্ঘটনায় নিহত আরা ডি আরুওজু।


তার সহকর্মী পেড্রো বাসান বলছিলেন, ২০ বছর ধরে তার সঙ্গে কাজ করেছি। আরা ছিলো আমার কাছে ভাইয়ের চেয়েও বেশি। আমি ভাবতেই পারছি না তারা আর নেই। তার সঙ্গে আর ডিনার করতে পারবো না, বিতর্ক করতে পারবো না।

ব্রাজিলের সিবিএন রেডিও, ফক্স নিউজ নেটওয়ার্কসহ বিভিন্ন রেডিও, টিভি, পত্রিকার ২০ জন মিডিয়া পার্সন মারা গেছে দুর্ঘটনায়।

মন্তব্যসমূহ