আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

রিজার্ভ চুরির অর্থের দাবি থেকে ফিরে আসেবে না বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভের চুরি যাওয়া বাকি অর্থ ফেরত দেবে না বলে ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংক যে বিবৃতি দিয়েছে, বাংলাদেশ সেটাকে অপ্রাসঙ্গিক বলে বর্ননা করেছে।
ফিলিপাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জন গোমেজ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, বাংলাদেশ ফিলিপাইনের সরকারের মাধ্যমে ঐ ব্যাংকের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
রাষ্ট্রদূত জোন গোমেজ উল্লেখ করেছেন, ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকিং করপোরেশনের যে তিনজন সিনিয়র আইনজীবী এই অর্থের বিষয়ে কাজ করছিলেন, তারা গত রাতে পদত্যাগ করেছেন বলে বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে।
তিনি মনে করেন, ফিলিপাইনের সরকার অর্থ আদায়ের ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছে।
ফলে বাংলাদেশ রিজাল ব্যাংকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করবে না।
তবে রিজাল ব্যাংক তাদের বিবৃতিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অবহেলার কারণেই তাদের রিজার্ভের অর্থ চুরি যাওয়ার কথা বলেছে।
এই বক্তব্য মানতে রাজি নন বাংলাদেশের কর্মকর্তারা।
জন গোমেজ বলেছেন,রিজাল ব্যাংকের মাধ্যমেই চুরি যাওয়া অর্থ বের করে নেয়া হয়েছে।এটা প্রমাণ হওয়ায় তাদের জরিমানা গুনতে হচ্ছে।
তিনি আরও বলেছেন,বাংলাদেশ অর্থের দাবি থেকে সরে আসবে না এবং রিজাল ব্যাংকের বক্তব্যকে আমলে নিচ্ছে না।
আইনমন্ত্রী আনিসুল হকে নেতৃত্বে বাংলাদেশের উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল এখন ফিলিপাইনে রয়েছেন।এমন সময়ই রিজাল ব্যাংক বিবৃতি দিয়ে অর্থ ফেরত না দেয়ার কথা বলেছে।
এছাড়া ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্টের সাথে গত ২৮শে নভেম্বর বাংলাদেশ দলের আগের নির্ধারিত বৈঠক বাতিল করা হয়েছে।
ফিলিপাইনের দৈনিক ইনকোয়ারার পত্রিকার খবরে বল হয়েছে, প্রেসিডেন্ট তাৎক্ষণিকভাবে কোনো চাপ নিতে চাচ্ছেন না, সেকারণে বৈঠকটি বাতিল করা হতে পারে।
তবে জন গোমেজ বলেছেন, ফিলিপাইনের একটি শহরে জঙ্গীদের সাথে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষ চলছে।
সে কারণে ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্টের সাথে বৈঠকটি স্থগিত করা হয়েছে।
এখন বাংলাদেশ দল বুধবার ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্ণরের সাথে বৈঠক করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরি যাওয়া অর্থের ৮কোটি ১০লাখ ডলার ফিলিপাইনে চলে গিয়েছিল।
এর মধ্যে প্রায় দেড় কোটি ডলার বাংলাদেশ ফেরত পেয়েছে।
বাকি প্রায় সাড়ে ৬ কোটি ডলার ফেরত পাওয়ার প্রশ্নে এখন সংশয় দেখা দিয়েছে।
তবে জন গোমোজ বলেছেন, বাংলাদেশ অর্থ ফেরত পাওয়ার আশা ছাড়ছে না। বিবিসি

মন্তব্যসমূহ