প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে: জামায়াত

  দেশের প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের।  তিনি বলেন, এ ধারা অব্যাহত থাকলে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে জনগণের মধ্যে সংশয় ও হতাশা তৈরি হবে। একইসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে সমতার নীতি ভঙ্গ হলে দায় এড়াতে পারবে না নির্বাচন কমিশন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাত ৮টায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন ডা. তাহের। তিনি বলেন, সারা দেশে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের আচরণে বিএনপির প্রতি পক্ষপাতের বিষয়টি এখন দৃশ্যমান। বিশেষ করে মাঠপর্যায়ে দায়িত্বে থাকা এসপি ও ডিসিদের– যারা একইসঙ্গে রিটার্নিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন– আচরণে নিরপেক্ষতার ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।  এ ধরনের কর্মকর্তাদের একটি তালিকা তারা ইতোমধ্যে করেছেন বলেও জানান তিনি। তবে আপাতত বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং এখনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। ডা. তাহের অভিযোগ করেন, গত দুই-তিন সপ্তাহ ধরে একটি দলের শীর্ষ নেতাকে ঘিরে সর...

বিদ্যালয়ে ৩০ ছাত্রীর ইয়াবা সেবন!


নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিশ্রামাগারের দরজা বন্ধ করে অন্তত ২০ ছাত্রী ঘণ্টাব্যাপী মাদক সেবন করে চলেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ইয়াবা সেবন চলে কখনো ক্লাস শেষে, কখনো বা ছুটির পরে। বিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্রী জানায়, ছয় ছাত্রী মাদক সেবনের এই যাত্রা শুরু করে। এখন মাদকসেবী ছাত্রীর সংখ্যায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে।

উপজেলার নাজিরপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী বিশ্রামাগারে টানা চার বছর ধরে চলছে ওই প্রতিষ্ঠানের ছাত্রীদের মাদক সেবনের এই মহাযজ্ঞ।


বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানলেও কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় ছাত্রীদের কাছে ওই বিশ্রামাগারটি এখন মাদক সেবনের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, ‘এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সত্যতা পাওয়া যায়নি। তবে এলাকার কিছু বখাটে ছেলেরা রাতের বেলা বিদ্যালয়ের ছাদে মাদক সেবন করতো।’

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি তার জানা নেই। অচিরেই তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. ইয়াছমিন আক্তার বলেন, ‘এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে ঘটনা সত্য হলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ আরটিএনএন


মন্তব্যসমূহ