আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে দিয়েছিল যে মেয়েটি


বাংলাদেশে ঝালকাঠি জেলার স্কুল ছাত্রী শারমিন আকতার নিজের বাল্যবিয়ে ঠেকিয়ে আলোচনায় এসেছেন।
বিয়েতে রাজি না হওয়ায় তাঁর মা তাঁকে পাত্রের সাথে বেশ কিছুদিন একটি কক্ষে আটকে রেখে নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ রয়েছে।
এই বন্দী অবস্থা থেকে পালিয়ে শারমিন আকতার মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন।
শারমিন আকতার ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তাঁর পিতা সৌদিপ্রবাসী।
নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় পনেরো বছর বয়সে তাঁর মা তাঁকে বিয়ে দেয়ার আয়োজন করেছিলো।
স্কুলের বন্ধু,সাংবাদিক এবং থানা পুলিশের সহায়তা নিয়ে শারমিন আকতার মায়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলেন।
শারমিন আকতার বলেছেন, "আমি বিয়ের জন্য উপযুক্ত বয়সে ছিলাম না। এই কিশোরী বয়সে একজন বয়স্ক লোকের সাথে আমার সংসার করা সম্ভব ছিল না। তখন আমাকে আটকিয়ে রেখে শারীরিক এবং মানসিকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছিল। কিন্তু আমি এই পরিস্থিতি থেকে আমার জীবনকে বাঁচাতে মায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম।"
সেজন্য তাঁকে নানা প্রতিকুলতা মোকাবেলা করতে হয়েছে। এখনও পরিবারের ভিতর থেকেই চাপের মধ্যে রয়েছেন।কিন্তু তিনি দমে যাননি।
এই কিশোরীর দায়ের করা মামলায় তাঁর মা এবং কথিত পাত্রকে পুলিশ গ্রেফতার করে। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলার তদন্ত এখন চলছে।
এমন ঘটনার প্রেক্ষাপটে নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারীরা এবং বিভিন্ন সংগঠন তাঁর সাথে যোগযোগ করে।
শারমিন আকতার এখন সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি পরিক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
তিনি আইন নিয়ে পড়াশুনা করে বাল্য বিয়ে বন্ধের জন্য এবং অসহায় নারীদের জন্য কাজ করতে চান। বিবিসি

মন্তব্যসমূহ