দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের বর্ণনায় উঠে এলো নিরাপত্তা বাহিনীর বর্বরতা, এ যেন আরেক জুলাই বিপ্লব

 ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আহ্বানে আয়োজিত ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সোমবার (২০ জুলাই) ব্যাপক উত্তেজনা ও সংঘাতের সৃষ্টি হয়েছে। হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও সমর্থক সংসদের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে তাঁদের ওপর টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ ও নির্মম লাঠিচার্জ চালিয়েছে দিল্লি পুলিশ ও র‍্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ)। এ সময় রণক্ষেত্রে পরিণত হয় সংসদ ভবন সংলগ্ন এলাকাগুলো। প্যাটেল চৌক ও কনট প্লেসে তীব্র সংঘর্ষ সংসদ ভবনের দিকে যাওয়ার মূল প্রবেশপথ সংসদ স্ট্রিট, কনট প্লেস এবং প্যাটেল চৌক মেট্রো স্টেশন এলাকায় সবচেয়ে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিট-ইউজি (NEET-UG) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ও শিক্ষা ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীরা বিশাল পদযাত্রা বের করেন। পদযাত্রাটি কনট প্লেস থেকে জনপথ হয়ে সংসদ মার্গের দিকে পৌঁছালে পুলিশ আগে থেকে বসানো একাধিক ব্যারিকেড দিয়ে পথ অবরুদ্ধ করে। উত্তেজিত বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারগ্যাস শেল নিক্ষেপ করে ও নির্বিচার...

ইরানের হামলায় নিহত মার্কিন সেনাদের জন্য ‘খুবই মর্মাহত’ ট্রাম্প: সিএনএন



 ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাসদস্যদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, সামরিকভাবে ইরানকে ব্যাপক ক্ষতির মুখে ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।


রোববার (১৯ জুলাই) ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, 'আমরা খুবই মর্মাহত। তবে তারা ছিলেন অসাধারণ মানুষ, প্রকৃত দেশপ্রেমিক। তারা এমন একটি লক্ষ্য নিয়েই লড়াই করছিলেন, যাতে ইরান কখনোই পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হতে না পারে।'


বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ দেখার পর ওয়াশিংটনে ফেরার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।


এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, উত্তর ইরাকে শনিবার ভূপাতিত একটি ইরানি ড্রোনের অবিস্ফোরিত অংশ নিয়ন্ত্রিতভাবে ধ্বংস করার সময় বিস্ফোরণে এক মার্কিন সেনা নিহত হন। এছাড়া শুক্রবার জর্ডানে ইরানের হামলায় আরও দুই মার্কিন সেনা প্রাণ হারান। এসব ঘটনার পর ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে নিহত মার্কিন সেনাসদস্যের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে পৌঁছেছে।


নিহত সেনাদের প্রসঙ্গের পরই ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযান নিয়ে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, 'ইরান সামরিকভাবে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে। প্রায় সব ধরনের সামরিক সক্ষমতাই তারা হারিয়েছে। তাদের হাতে এখন খুব সামান্যই অবশিষ্ট রয়েছে।'


একই সঙ্গে ট্রাম্প জানান, রোববার রাতেও ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তার ভাষ্য, 'আজ রাতেও আমরা তাদের ওপর খুব জোরালোভাবে আঘাত হেনেছি।'


সেন্টকম জানায়, টানা নবম রাতের মতো ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এতে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ