জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

লন্ডনে সেই মুসলিম শিক্ষিকা নির্দোষ প্রমাণিত

 




ইসরাইলের বর্বর হামলার প্রতিবাদে ফিলিস্তিনকে সমর্থন জানিয়ে ব্রিটেনে বিক্ষোভ করেন মুসলিম শিক্ষিকা মারিহা হোসেন (৩৭)। এ সময় তার হাতে একটি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। যেখানে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক ও সুয়েলা ব্র্যাভারম্যানকে নারকেল হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছিল।


 যার প্রেক্ষিতে ওই শিক্ষিকার ওপর জাতিগতভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি ও জনশৃঙ্খলা লঙ্ঘনের আইনে আদালত মামলা দায়ের করা হয়। যেই মামলায় শুক্রবার নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন মুসলিম ওই শিক্ষিকা।


 লন্ড‌নের সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক ভেনেসা লয়েড মামলার রা‌য়ে বলেছেন, আমি দেখতে পেয়েছি যে এটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ধারার অংশ ছিল এবং প্রমাণ করেনি যে এটি কারও প্রতি অপমানজনক ছিল।


 এর আগে মা‌রিহা নিজেও দাবি করেছিলেন, প্ল্যাকার্ডটি ছিল নিছকই রাজ‌নৈ‌তিক ব্যাঙ্গ। পরবর্তীতে নারকেল শব্দটি জাতিগত অপবাদের অংশ কিনা সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত শোনার পর আদালত তাকে খালাস দেন।


 মা‌রিহার আইনজীবী ব‌লে‌ছেন, মা‌রিহা হোসেনের এই মামলাটি স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারের ওপর একটি বিরক্তিকর আক্রমণ। মা‌রিহা একজন অনবদ্য চরিত্রের নারী, তিনি একজন দায়িত্বশীল এবং চিন্তাশীল নাগরিক। তিনি সত্যিকার অর্থে তার চেয়ে কম ভাগ্যবানদের দুর্দশার কথা চিন্তা করেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে প্রস্তুত তিনি।


 এ বিষয়ে মা‌রিয়া আদাল‌তকে বলেছেন, তিনি তার পরিবারের সঙ্গে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। তবে আমার বিরুদ্ধে এই মালমাকে আমি বিস্ময়কর বলে মনে করি। কেননা এটি ঘৃণার বার্তা হিসেবে কল্পনা করা যেতে পারত।


 এদিকে প্রসিকিউটর জোনাথন ব্রায়ান বলেছেন, ‘নারকেল’ শব্দটি একটি সুপরিচিত জাতিগত গালি যার অর্থ ‘আপনি বাইরে থেকে বাদামি হতে পারেন, কিন্তু ভিতরে আপনি সাদা।’ অর্থাৎ ভেতরে ভেতরে ইসরাইলকে সমর্থন জানানোয় ঋষি সুনাককে নারিকেলের সঙ্গে তুলনা করে ব্যাঙ্গ করেছিলেন তিনি।

মন্তব্যসমূহ