ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী

  ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে। বর্তমান সরকার মনে করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি। বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়। এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগ...

গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে লন্ডনে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

 




ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে ব্রিটিশ রাজধানী লন্ডনে। শনিবার তীব্র শীত উপেক্ষা করে লাখো  বিক্ষোভকারী প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দেন।


কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, হাজার হাজার বিক্ষোভকারী শনিবার সেন্ট্রাল লন্ডনের ব্যাংক থেকে পার্লামেন্ট স্কয়ার পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করেন। এ সময় তারা ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির দাবি জানান।


খবরে বলা হয়েছে, মিছিলটি ব্যাংক জংশন থেকে শুরু হয়ে সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল এবং সমারসেট হাউসের পাশ দিয়ে বিকালে ওয়েস্টমিনস্টারে শেষ হয়।


সমাবেশ ও বিক্ষোভে নানা স্লোগান লেখা ফেস্টুন হাতে ব্রিটেনের বিভিন্ন শহর থেকে আগতরা গাজায় অবিলম্বে মানবিক যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের দাবি জানান।


এদিকে গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় চলমান ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ১৭ হাজার ৭০০ লোক প্রাণ হারিয়েছেন। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে জাতিসংঘ এ তথ্য জানিয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৭০ শতাংশই নারী ও শিশু।

মন্তব্যসমূহ