তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর নিয়ে দেওয়া বিবৃতি প্রত্যাহার করল ভারত

  বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের 'সম্ভাব্য' ভারত সফরের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর তা আবার প্রত্যাহার করে নিয়েছে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবন। শুক্রবার (২১ আগস্ট) ভারতের রাষ্ট্রপতির সচিবালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর মহড়ার কারণে আগামীকাল শনিবার রাষ্ট্রপতি ভবনের ফোরকোর্টে 'চেঞ্জ অব গার্ড' অনুষ্ঠান হবে না। কিন্তু এর পরপরই কোনো কারণ না দেখিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করে নেয় রাষ্ট্রপতি ভবন। এটি সফরের সময়সূচি বদলের ইঙ্গিত, নাকি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রক্রিয়াগত কোনো সমস্যা তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ ঘিরে টানাপড়েন এবং তারেক রহমানের সফর ঘিরে অনিশ্চয়তার মধ্যে এই কাণ্ড নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে গত ১৬ আগস্ট বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট সংবাদমাধ্যমে বক্তব্য দেওয়ার কারণে সফর নিয়ে আলোচনা জটিল হয়ে উঠেছে।

নির্বাচন দেখতে চান রয়টার্সের সাংবাদিকসহ ৮৭ বিদেশি

আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আবেদন করেছেন ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের সাংবাদিকসহ ৮৭ জন বিদেশি।

সোমবার (২৭ নভেম্বর) পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে (ইসি) এসব আবেদন জমা পড়েছে।

ইসি সূত্র জানায়, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ঢাকায় আসতে ইচ্ছুক আবেদনকারীদের মধ্যে আফ্রিকান ইলেকট্রোরালের ১১ জন রয়েছেন। এ ছাড়া কমনওয়েলথ থেকে পাঁচজন ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের চারজন ভোট পর্যবেক্ষণে আসার আবেদন করেছেন। পাশাপাশি ভোট পর্যবেক্ষণে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কারিগরি দল পাঠাতে চায় ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউটের (এনডিআই)।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ বলেন, সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইতোমধ্যে বিদেশি সাংবাদিক, ব্যক্তি পর্যবেক্ষক ও সংস্থা নিবন্ধন করেছেন। রয়টার্সের সাংবাদিকসহ মোট ৮৭ পর্যবেক্ষক-সাংবাদিক ও চারটি সংস্থা নিবন্ধন করেছে। আশা করছি, সামনে আরও পর্যবেক্ষক সংস্থা নিবন্ধন করবে। সেজন্য আমরা আবেদনের সময় বাড়িয়েছি।

এর আগে, নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগ্রহী বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আবেদনের সময়সীমা ২১ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করেছিল কমিশন। পরে আবেদনের সময় ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে দেওয়া ফরম পূরণ করে আবেদন করা যাবে।

মন্তব্যসমূহ