জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় বিএনপি জড়িত : প্রধানমন্ত্রী

 



২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় বিএনপি জড়িত তাতে কোনো সন্দেহ নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।


গ্রেনেড হামলার ১৯ বছর উপলক্ষে আজ সোমবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় শেখ হাসিনা এ মন্তব্য করেন।


২০০৪ সালে ১৯ বছর আগে ঘটে যাওয়া সেই হত্যাকাণ্ড স্তব্ধ করে দেয় জাতিকে। নানা আয়োজনে বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের দিনটি স্মরণ করা হচ্ছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ২১ আগস্টের নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।


স্বাগত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘গ্রেনেড হামলার সঙ্গে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যে সম্পূর্ণভাবে জড়িত, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। তদন্তেও তা বের হয়ে এসেছে। তারা জড়িত ছিল বলেই পুলিশকে ব্যবস্থা নিতে বাধা দেয়। বিএনপি শুধু হত্যা আর ক্যুর রাজনীতিটাই জানে।’


২১ আগস্ট আর্জেস গ্রেনেড হামলায় নিজের বেঁচে যাওয়া বিস্ময়কর ছিল মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত আর্জেস গ্রেনেড ফেলা হয় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে। একটা-দুটা না, ১৩টা গ্রেনেড। আর কত যে তাদের হাতে ছিল কে জানে? সেদিন যে বেঁচে গেলাম সেটাই অবাক বিস্ময়।’


শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘যেসব গ্রেনেড ছোড়া হলো সেগুলো ট্রাকের ওপরে না পড়ে ট্রাকের ডালার সঙ্গে বাড়ি খেয়ে নিচে পড়ে যায়। সমস্ত স্প্লিন্টার হানিফ ভাইয়ের মাথায় লাগে। তাঁর সমস্ত গা বেয়ে রক্ত... আমার কাপড়ে এসে পড়ে। প্রথমে তিনটা, তারপর একটু বিরতি দিয়ে আবার একটার পর একটা গ্রেনেড মারতে শুরু করল। আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী সেখানে উপস্থিত, আইভি রহমান মহিলাদের নিয়ে নিচে ছিলেন।’


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘বিএনপির ভাড়াটে হয়ে আজ যারা মানবাধিকারের কথা বলছে, তাদের কাছে প্রশ্ন- ৭৫ ও একুশে আগস্টের সময় মানবাধিকার কোথায় ছিল?

মন্তব্যসমূহ