জ্বালানি সেক্টরকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র সুকৌশলে সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী

একটি নির্দিষ্ট চক্র বেশ সুকৌশলে দেশের জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয় রয়েছে এবং তারা নানাভাবে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য ছড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (৮ আগস্ট ২০২৬) জাতীয় সংসদের এলডি হল প্রাঙ্গণে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর জ্বালানি খাত’ অনুষ্ঠানে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকটের কথা স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশের বহু মানুষ এই মুহূর্তে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কষ্ট ভোগ করছেন এবং সরকার সে বাস্তবতাকে একবারের জন্যও অস্বীকার করেনি। মূলত বিগত সরকারের কাছ থেকে একটি সামগ্রিক ভঙ্গুর ব্যবস্থা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া গেছে।" তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, "অতীত সরকারের সময়ে গ্যাস, জ্বালানি বা পেট্রোলিয়াম খাতে অত্যন্ত অপরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল। নির্দিষ্ট কিছু সুবিধাভোগী মহলকে বাড়তি সুবিধা দিতেই নেওয়া হয়েছিল এসব ক্ষতিকর নীতি। যার চূড়ান্ত খেসারত এখন দেশের সাধারণ মানুষ ও বর্তমা...

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ : রাষ্ট্রপতি

 




গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনকে আইন-শৃঙ্খলাসহ সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হবে।


সোমবার (১৯ জুন) প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বে তিন কমিশনার ও সচিব সাক্ষাৎ করতে বঙ্গভবনে গেলে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।


রাষ্ট্রপতি বলেন, ভোটকে নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক করতে ভোটের তারিখের পূর্ব থেকেই ঝুঁকি চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।


বর্তমান নির্বাচন কমিশন দেশের সব নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। একইসঙ্গে তিনি নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করতে ইসির পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলো ও তাদের প্রার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।


সাক্ষাৎকালে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানানো হয়।


সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, নতুন কমিশন দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে স্থানীয় সরকারসহ সব নির্বাচন নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে করতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।


এসময় তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করতে রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনা কামনা করেন।


সাক্ষাৎকালে নির্বাচন কমিশনার মো. আহসান হাবিব খান, বেগম রাশেদা সুলতানা, মো. আলমগীর ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব জাহাংগীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্যসমূহ