আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা

  পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) আলী হোসেন ফকিরের ‘ক্রসফায়ার’ ও সাংবাদিকদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। সচিবালয়ের পিআইডি সম্মেলনকক্ষে সরকারের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে রাষ্ট্রীয় সফরে দেশের বাইরে রয়েছেন। দেশে ফেরার পর তিনি বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবেন। সম্প্রতি রাজধানীর চকবাজারে এক অনুষ্ঠানে আইজিপি বলেন, সরকার অনুমতি দিলে প্রয়োজনে ‘ক্রসফায়ার’ করা হবে। একই অনুষ্ঠানে পুলিশের সমালোচনা করা সাংবাদিকদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেন তিনি। আইজিপির বক্তব্যের পর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে সরকারের অবস্থান এবং তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, সোমবার রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে দেওয়া ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, আইজিপি ‘ক্রসফায়ার’ বলতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বোঝাননি। সাংবাদিকদের নিয়ে করা মন্তব্যের বিষয়েও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উপদেষ্টার মতে, আইজিপি নিজেই ...

নিরীহ ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করল ইসরাইলি সেনাবাহিনী

 




কোনো কারণ ছাড়াই একজন নিরীহ ফিলিস্তিনিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন ইসরাইলি সেনাবাহিনী।


গত সপ্তাহে ইসরাইলি সৈন্যদের গুলিতে একজন মধ্যবয়সী ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। কোনো হুমকি বা কোনো বিপজ্জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি না করায় তাকে হত্যা করা উচিত হয়নি বলে সোমবার জানিয়েছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী।


গত ১৫ জানুয়ারি অধিকৃত পশ্চিম তীরের সিলওয়াদের কাছে রামনের বাসিন্দা আহমেদ কাহলাকে (৪৬) সামরিক চেকপয়েন্টে খুব কাছ থেকে ঘাড়ে গুলি করা হয়।


এর আগে প্রাথমিকভাবে ইসরাইলি সেনাবাহিনী দাবি করেছিল যে কাহলাকে গুলি করা হয়েছিল কারণ তিনি হাতে ছুরি নিয়ে তার গাড়ি থেকে নেমে আসছিলেন এবং তাদের ছুরিকাঘাতের উদ্দেশ্যে সৈন্যদের দিকে দৌঁড়াচ্ছিলেন।


ঘটনার সময় কাহলের সাথে ছিলেন তার ২০ বছর বয়সী ছেলে কুসাই। তিনি বলেন, তাদের গাড়িটি চেকপয়েন্টে থামানো হয়েছিল এবং একজন সেনা সদস্য একটি স্টান গ্রেনেড ছুঁড়ে মারে। যেটি তাদের গাড়ির ছাদে আঘাত করে। তখন কাহলা জিজ্ঞাসা করেন, কেন তাদের ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে? এ সময় একজন অফিসার তার ওপর পিপার স্প্রে ব্যবহার করেন। পরে এক সৈন্য তাকে গাড়ি থেকে টেনে বের বের করে গুলি করেন।


ইসরাইলি সেনাবাহিনীর একটি তদন্তে দেখা গেছে যে কাহলার ছুরি দিয়ে হামলা চালানোর কোনো উদ্দেশ্য ছিল না এবং ‘মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই ঘটনার সমাপ্তি হওয়া উচিত হয়নি।’


নিহতের ভাই জায়েদ (৪৫) আরব নিউজকে বলেন, ‘কোনো কারণ ছাড়াই তার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে। তাদের বিচারের মুখোমুখি করতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেব।’


কাহালের পরিবার ইসরাইলের আদালতে সেনাবাহিনীর কাছ থেকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করবে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতেও যাবে।


জায়েদ বলেন, ‘আমরা জানি যে তাদের বিচার হলে আমাদের ভাই আহমেদকে জীবিত ফিরে পাবো না। কিন্তু আমরা চাই তারা অপরাধের শাস্তি পাক।’


তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের ঠাণ্ডা মাথায় এবং কোনো কারণ ছাড়াই ফিলিস্তিনিদের হত্যা করা থেকে বিরত রাখতে চাই।’


সূত্র: আরব নিউজ

মন্তব্যসমূহ