জাসদ কার্যালয়ে জড়ো হওয়া ২৮০-৩০০ জনকে যাচাই করা হচ্ছে: ডিসি হারুন

 রাজধানীর জাসদ কার্যালয়ের সামনে জড়ো হওয়া আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জনকে থানায় নিয়ে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. হারুন অর রশিদ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ডিসি হারুন অর রশিদ বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা কোনো উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হয়েছিলেন—এমন তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ প্রাথমিক ব্যবস্থা নেয়। এ সময় স্থানীয় ছাত্র-জনতাও পুলিশকে সহায়তা করেছে। তিনি বলেন, কী উদ্দেশ্যে তারা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন, তাদের কাছে কী তথ্য ছিল এবং সেখানে তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড করেছেন—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সেখানে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার বিষয়ে পুলিশের কাছে কিছু তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া তারা অন্য কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন কি না এবং কেন সেখানে একত্রিত হয়েছিলেন, সেসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। ডিসি হারুন জানান, প্রাথমিকভাবে সেখানে জড়ো হওয়া মানুষের সংখ্যা আনুমানিক ২৮০ থেকে ৩০০ জন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যাচাই-বাছাইয়ের কাজে যুক্ত থাকায় তিনি সঠিক সংখ্যা জানাতে পার...

জাপানে আঘাত হেনেছে মহাপ্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় নানমাদোল

 




জাপানে আঘাত হেনেছে মহাপ্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় নানমাদোল। স্থানীয় সময় রোববার রাতে এ সুপার তাইফুন আঘাত হানে বলে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। 


জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি কাগোশিমা শহরের কাছে এসে পৌঁছায়।


ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রতি ঘণ্টায় ২৩৪ কিলোমিটার (১৪৬ মাইল) বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছিল। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে  ইতোমধ্যেই দক্ষিণ-পশ্চিম কিউশু অঞ্চলের কিছু অংশে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ৫০০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। 


ভয়ঙ্কর এ প্রলয় থেকে বাঁচাতে জাপানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ দেশটির কাগশিমা, কুমামতো, মিয়াজাকি ও দক্ষিণ কিয়োশো থেকে ২০ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে। 


জাপানের জাতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর এ ঘূর্ণিঝড়কে 'ধ্বংসাত্মক' হিসেবে উল্লেখ করে দক্ষিণ দিকে থাকা উপকূলীয় লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে৷


স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যা নাগাদ কাগোশিমা অঞ্চলের প্রায় ২ লাখ বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন ছিল।


ঝড় অতিক্রম না হওয়া পর্যন্ত ট্রেন, বিমান এবং ফেরি চালানো বাতিল করা হয়েছে।  এমনকি যেসব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের যেসব দোকান ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হয়। 

মন্তব্যসমূহ