নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

  নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুরে চারজনকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। হত্যার শিকার সবাই একই পরিবারের সদস্য।  সোমবার দিবাগত মধ্যরাতে নিয়ামতপুর থানার বাহাদুরপুর ইউনিয়নে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। সকাল ৮টার দিকে ওই গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নিহতরা হলেন বাহাদুরপুর গ্রামের হাবিবুর রহমান (৩৫), তার স্ত্রী পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩)। নিহতদের মধ্যে হাবিবুর ও তার স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। তাদের সন্তান পারভেজ ও সাদিয়া মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ বাহাদুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোরে হাবিবুর রহমানের বাবা নমির হোসেন ছেলের ঘরের দরজার সামনে রক্ত দেখতে পান। সন্দেহ হলে তিনি ভেতরে প্রবেশ করে খাটের ওপর চাদর দিয়ে ঢাকা অবস্থায় চারজনের লাশ দেখতে পান। পরে তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন জড়ো হন এবং পুলিশে খবর দেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হাবিবুর রহমান পেশায় একজন গরু ব্যবসায়ী ছ...

জাপানে আঘাত হেনেছে মহাপ্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় নানমাদোল

 




জাপানে আঘাত হেনেছে মহাপ্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় নানমাদোল। স্থানীয় সময় রোববার রাতে এ সুপার তাইফুন আঘাত হানে বলে বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। 


জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি কাগোশিমা শহরের কাছে এসে পৌঁছায়।


ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে প্রতি ঘণ্টায় ২৩৪ কিলোমিটার (১৪৬ মাইল) বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইছিল। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে  ইতোমধ্যেই দক্ষিণ-পশ্চিম কিউশু অঞ্চলের কিছু অংশে ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে ৫০০ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। 


ভয়ঙ্কর এ প্রলয় থেকে বাঁচাতে জাপানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ দেশটির কাগশিমা, কুমামতো, মিয়াজাকি ও দক্ষিণ কিয়োশো থেকে ২০ লাখ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়েছে। 


জাপানের জাতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর এ ঘূর্ণিঝড়কে 'ধ্বংসাত্মক' হিসেবে উল্লেখ করে দক্ষিণ দিকে থাকা উপকূলীয় লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে৷


স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যা নাগাদ কাগোশিমা অঞ্চলের প্রায় ২ লাখ বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন ছিল।


ঝড় অতিক্রম না হওয়া পর্যন্ত ট্রেন, বিমান এবং ফেরি চালানো বাতিল করা হয়েছে।  এমনকি যেসব নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের যেসব দোকান ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে সেগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হয়। 

মন্তব্যসমূহ